ঢাকা ০৯:৩৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মো. নেজাম উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালে পটিয়া উপজেলার মৃত কবির আহমদের ছেলে মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে পটিয়া থেকে চট্টগ্রাম নগরে নিয়ে আসেন নেজাম। তবে হাসপাতালে না নিয়ে তাকে বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেটসংলগ্ন হোটেল আল-রেজার একটি কক্ষে ওঠানো হয়। পরবর্তীতে ওই কক্ষ থেকেই শাহনাজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাহনাজের বাবা মো. আজগর আলী অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ নেজাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বগুড়ায় খেলতে গিয়ে পুকুরে ডুবে তিন শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু, গুচ্ছগ্রামে শোকের মাতম

চট্টগ্রামে স্ত্রী হত্যা: স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড

আপডেট সময় : ০৪:৩৯:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রাম নগরীর চান্দগাঁও থানা এলাকায় স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামী মো. নেজাম উদ্দিনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাকে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। মঙ্গলবার চট্টগ্রামের পঞ্চম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মো. তাজউল ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করে।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী এস এম কাওসার সাগর জানান, মামলায় ৯ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং অন্যান্য প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় মো. নেজাম উদ্দিনকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। রায় ঘোষণার সময় আসামি আদালতে উপস্থিত ছিলেন এবং পরে সাজা পরোয়ানামূলে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার নথি অনুযায়ী, ২০১১ সালে পটিয়া উপজেলার মৃত কবির আহমদের ছেলে মো. নেজাম উদ্দিনের সঙ্গে শাহনাজ বেগমের বিয়ে হয়। বিয়ের পর শাহনাজ অসুস্থ হয়ে পড়লে ২০১২ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তাকে উন্নত চিকিৎসার কথা বলে পটিয়া থেকে চট্টগ্রাম নগরে নিয়ে আসেন নেজাম। তবে হাসপাতালে না নিয়ে তাকে বহদ্দারহাটের স্বজন সুপার মার্কেটসংলগ্ন হোটেল আল-রেজার একটি কক্ষে ওঠানো হয়। পরবর্তীতে ওই কক্ষ থেকেই শাহনাজের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

শাহনাজের বাবা মো. আজগর আলী অভিযোগ করেন, তার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। এ ঘটনায় তিনি চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ নেজাম উদ্দিনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২০১৪ সালের ১৮ মার্চ আদালত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করলে মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হয়।