কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যা মামলার তদন্তে নতুন মোড় এসেছে। আদালত আরও দুই সাবেক সেনা সদস্যের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহের নির্দেশ দিয়েছেন। এর ফলে এই আলোচিত হত্যাকাণ্ডের তদন্তে মোট পাঁচজন সাবেক সেনা কর্মকর্তার ডিএনএ পরীক্ষা করার নির্দেশ দেওয়া হলো।
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, গত ১৭ জুলাই কুমিল্লার জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম ১ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক মুমিনুল হক তদন্তের স্বার্থে করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে সাবেক সেনাসদস্য জাহিদুল ইসলাম ও তনুর বন্ধু ফয়সাল আহমেদ রাব্বীর ডিএনএ সংগ্রহের অনুমতি দেন।
নতুন করে ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করার জন্য যাদের নাম উঠে এসেছে, তারা হলেন কুমিল্লা রাজাপাড়া এলাকার এম এ হান্নানের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য ফয়সাল আহমেদ রাব্বি এবং সিরাজগঞ্জ কাজিপুর মেগাই গ্রামের সুলাইমান হোসেনের ছেলে সাবেক সেনা সদস্য জাহিদুল ইসলাম।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ২০ মার্চ সন্ধ্যায় কুমিল্লা সেনানিবাসের ভেতরে একটি বাসায় টিউশনি করতে গিয়ে নিখোঁজ হন সোহাগী জাহান তনু। পরে সেনানিবাসের পাওয়ার হাউসসংলগ্ন একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে। বর্তমানে এ মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া একমাত্র আসামি হাফিজুর রহমান কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।
ডিএনএ রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে পিবিআই সাবেক সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাফিজুর রহমানকে গ্রেপ্তার করার পরপরই সাবেক সার্জেন্ট জাহিদুজ্জামান জাহিদ এবং শাহীন আলম দেশ ছেড়ে পালিয়ে যান। এই মামলার দীর্ঘসূত্রিতা এবং নতুন করে ডিএনএ সংগ্রহের নির্দেশ বিচারপ্রার্থীদের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার করেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























