ঢাকা ০৮:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

৪৭তম বিসিএসে বাজিমাত: ইমতিয়াজের সাফল্যের নেপথ্যে ছিল পড়াশোনার ধারাবাহিকতা

বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নিজের রোল নম্বরটি তালিকায় দেখে মুহূর্তের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন ইমতিয়াজ আহমেদ জুলিয়ান। ৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার সেই আনন্দঘন মুহূর্তটি তিনি প্রথমে তার রুমমেট ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এরপর ফোন করেন বাড়িতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর সাফল্যে এখন খুশির জোয়ার তার পরিবার ও পরিচিতজনদের মাঝে।

বগুড়ার সন্তান ইমতিয়াজের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর তিনি ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনার্স শেষ বর্ষে থাকাকালীনই তিনি বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরিবারের বড় দুই ভাইও সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অনুপ্রেরণা তিনি ঘর থেকেই পেয়েছেন। তার মতে, সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে বাবা-মায়ের কাছাকাছি থেকে দেশের সেবা করার সুযোগ পাওয়া যায়।

নিজের পড়াশোনার ধরণ সম্পর্কে ইমতিয়াজ জানান, তিনি কখনোই গৎবাঁধা রুটিনে বিশ্বাসী ছিলেন না। তবে পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তার মতে, একদিন অনেক বেশি পড়ার চেয়ে প্রতিদিন অল্প করে হলেও নিয়মিত পড়া অনেক বেশি কার্যকর। সাধারণত দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন তিনি। বিসিএস প্রত্যাশীদের জন্য তার পরামর্শ হলো, শুধু দীর্ঘসময় টেবিলের সামনে বসে না থেকে পড়াশোনার গুণগত মানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উথলী রেলস্টেশনে আন্তঃনগর ট্রেনের যাত্রাবিরতির দাবিতে বিক্ষোভ ও স্মারকলিপি পেশ

৪৭তম বিসিএসে বাজিমাত: ইমতিয়াজের সাফল্যের নেপথ্যে ছিল পড়াশোনার ধারাবাহিকতা

আপডেট সময় : ০২:৫০:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুলাই ২০২৬

বিসিএস পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের পর নিজের রোল নম্বরটি তালিকায় দেখে মুহূর্তের জন্য বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন ইমতিয়াজ আহমেদ জুলিয়ান। ৪৭তম বিসিএসে শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ার সেই আনন্দঘন মুহূর্তটি তিনি প্রথমে তার রুমমেট ও বন্ধুদের সঙ্গে ভাগ করে নেন। এরপর ফোন করেন বাড়িতে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগের এই শিক্ষার্থীর সাফল্যে এখন খুশির জোয়ার তার পরিবার ও পরিচিতজনদের মাঝে।

বগুড়ার সন্তান ইমতিয়াজের শিক্ষাজীবন ছিল অত্যন্ত উজ্জ্বল। এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়ার পর তিনি ভর্তি হন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। অনার্স শেষ বর্ষে থাকাকালীনই তিনি বিসিএসের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেন। পরিবারের বড় দুই ভাইও সরকারি চাকরিতে কর্মরত থাকায় বিসিএস ক্যাডার হওয়ার অনুপ্রেরণা তিনি ঘর থেকেই পেয়েছেন। তার মতে, সিভিল সার্ভিসে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে বাবা-মায়ের কাছাকাছি থেকে দেশের সেবা করার সুযোগ পাওয়া যায়।

নিজের পড়াশোনার ধরণ সম্পর্কে ইমতিয়াজ জানান, তিনি কখনোই গৎবাঁধা রুটিনে বিশ্বাসী ছিলেন না। তবে পড়াশোনায় ধারাবাহিকতা বজায় রাখাকেই তিনি সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন। তার মতে, একদিন অনেক বেশি পড়ার চেয়ে প্রতিদিন অল্প করে হলেও নিয়মিত পড়া অনেক বেশি কার্যকর। সাধারণত দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত পড়াশোনা করতেন তিনি। বিসিএস প্রত্যাশীদের জন্য তার পরামর্শ হলো, শুধু দীর্ঘসময় টেবিলের সামনে বসে না থেকে পড়াশোনার গুণগত মানের দিকে নজর দেওয়া জরুরি।