সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বাকস্বাধীনতা এবং কার্টুন নিয়ে যে বিতর্ক শুরু হয়েছে, তা মূলত একটি বিশেষ গোষ্ঠীর সিলেক্টিভ বা বেছে বেছে প্রতিবাদেরই অংশ। একজন ডক্টরেটধারী ব্যক্তির পোস্টে উঠে এসেছে মেহেদী হকের আঁকা নাহিদ ইসলামের কার্টুন প্রসঙ্গ। সেখানে দাবি করা হয়েছে, যারা বাকস্বাধীনতার কথা বলেন, তারাই এখন কার্টুনের সমালোচনা করছেন। তবে প্রকৃত সত্য হলো, বাকস্বাধীনতা মানে যেমন কার্টুন এঁকে সমালোচনা করা, ঠিক তেমনি সেই কার্টুনের ভুল বা ধৃষ্টতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোও বাকস্বাধীনতারই অংশ।
জুলাই বিপ্লবের চেতনা এবং শহীদ আবু সাঈদকে নিয়ে যে ধরনের বিদ্রূপাত্মক উপস্থাপনা দেখা গেছে, তা কোনোভাবেই সাধারণ সমালোচনা নয়, বরং গণঅভ্যুত্থানের স্পৃহার ওপর আঘাত। চব্বিশের এই বিপ্লবে দেশের সর্বস্তরের মানুষ ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে, বিগত সরকারের সুবিধাভোগী একদল বুদ্ধিজীবী জুলাইয়ের এই অর্জনকে ভিন্নভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করছেন। তারা জুলাইকে দেখছেন বিভাজনের হাতিয়ার হিসেবে, অথচ এই বিপ্লবই দেশে বহুমত ও প্রকৃত বিতর্কের পথ প্রশস্ত করেছে।
রিপোর্টারের নাম 

























