সম্প্রতি কার্টুনিস্ট মেহেদী হকের আঁকা একটি কার্টুন এবং তা নিয়ে সৃষ্ট বিতর্ক দেশের বুদ্ধিজীবী মহলে বাকস্বাধীনতার প্রশ্নটি নতুন করে সামনে নিয়ে এসেছে। কেউ কেউ দাবি করছেন, কার্টুনের সমালোচনা করা মানেই বাকস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ। তবে প্রশ্ন জাগে, বাকস্বাধীনতা কি কেবল একতরফা? কোনো কাজের সমালোচনা করা বা নিন্দা জানানোও যে বাকস্বাধীনতারই অংশ, তা অনেক সময় এড়িয়ে যাওয়া হয়।
জুলাই বিপ্লবের শহীদদের নিয়ে বিতর্কিত উপস্থাপনা বা গণআকাঙ্ক্ষার পরিপন্থী কোনো কাজ জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করতে পারে। গত ১৬ জুলাইয়ের ছাত্র সংগঠনগুলোর ঐক্যবদ্ধ অবস্থান প্রমাণ করে যে, সাধারণ মানুষ ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে একাট্টা। এমতাবস্থায় ফ্যাসিবাদী কোনো গোষ্ঠীর পক্ষে অবস্থান নেওয়া বা তাদের কার্যক্রমকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা জনরোষের কারণ হতে পারে।
একটি গণতান্ত্রিক সমাজে বহুমত ও বিতর্কের সুযোগ থাকা আবশ্যক। জুলাই বিপ্লবের অন্যতম লক্ষ্যই ছিল রাষ্ট্র ও সমাজে সব মতের মানুষের অধিকার নিশ্চিত করা। অন্ধ দলীয় আনুগত্যের পরিবর্তে যৌক্তিক বিতর্কই পারে সত্যকে উন্মোচন করতে। যারা নিজেদের প্রগতিশীল দাবি করেন, তাদের উচিত সংকীর্ণ দলীয় চিন্তার ঊর্ধ্বে উঠে সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে কথা বলা।
রিপোর্টারের নাম 

























