সিলেট-ফেঞ্চুগঞ্জ-মোগলাবাজার সড়কের সাত কিলোমিটার অংশের সংস্কার কাজ সাত মাসেও শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ইউনুস অ্যান্ড ব্রাদার্স। দীর্ঘসূত্রিতার কারণে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন এই সড়ক ব্যবহারকারী হাজার হাজার যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা। সড়ক ও জনপথ বিভাগ এবং ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বহীনতাকে এই অবর্ণনীয় দুর্ভোগের মূল কারণ হিসেবে দেখছেন ভুক্তভোগীরা।
জানা গেছে, প্রায় সাত মাস আগে সড়কের সংস্কারের জন্য কার্পেটিং তুলে খুঁড়ে রাখা হয়। এরপর থেকেই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের চরম গাফিলতি চোখে পড়ে। মাঝে মধ্যে কিছু অংশে খুঁড়াখুঁড়ি, মেকাডম এবং কার্পেটিং করে কাজ বন্ধ রাখা হয়। বর্ষা শুরু হওয়ার পর থেকে এই ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। খুঁড়ে রাখা রাস্তার বালুমাটি ও পাথর বৃষ্টিতে সরে যাওয়ায় এবং এর ওপর দিয়ে যান চলাচলে বড় বড় গর্ত সৃষ্টি হয়ে সড়কটি এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। পুরো রাস্তা কাদা ও গর্তে ভরা থাকায় ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চলাচল করছে, যার ফলে প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছে অসংখ্য গাড়ি। বিশেষ করে রোগী বহনকারী অ্যাম্বুলেন্স ও রোগীদের কষ্টের সীমা থাকছে না।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত ১৭ জুন প্রধানমন্ত্রী সিলেট সফরে এসে এই সড়ক দিয়েই মৌলভীবাজার গিয়েছিলেন। তখন সাধারণ মানুষ আশা করেছিলেন, অন্তত প্রধানমন্ত্রীর সফর উপলক্ষে সড়কের কাজ দ্রুত শেষ হবে, অথবা তার নির্দেশে পরে কাজ সম্পন্ন হবে। কিন্তু প্রধানমন্ত্রীর সফরের পরও কাজের কোনো অগ্রগতি না হওয়ায় গাড়িচালক ও এলাকাবাসী চরম হতাশ। একইসাথে কাজের মান নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সিলেট সড়ক ও জনপথের নির্বাহী প্রকৌশলী খায়রুল বাসার সাদ্দাম হোসেন জানান, তিনি সড়কটি পরিদর্শন করেছেন এবং বৃষ্টির কারণে যাত্রীদের ভোগান্তি হচ্ছে। তিনি ঠিকাদারকে চাপ দিচ্ছেন এবং ভিটুমিনও চলে এসেছে। বৃষ্টি কমলেই দ্রুত কাজ সম্পন্ন করার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
রিপোর্টারের নাম 

























