ঢাকা ০৭:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

শাইনপুকুর সিরামিকসকে বিশেষ সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেডকে কাঁচামাল আমদানির জন্য বিশেষ আইনি ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রুপটির ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে সৃষ্ট জটিলতায় প্রতিষ্ঠানটির আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় এখন থেকে শতভাগ মার্জিন জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এলসি খুলতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিশেষ ধারাটি শাইনপুকুর সিরামিকসের ক্ষেত্রে শিথিল থাকবে। তবে এই বিশেষ সুবিধার আওতায় কোনো ঋণ বা আর্থিক দায়ভার সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহন করবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যাংক কোম্পানি আইনের কঠোর বিধিনিষেধের কারণে শাইনপুকুর সিরামিকস এলসি খুলতে পারছিল না। তবে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি না হওয়ায় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে একই ধরনের সুবিধা আবদুল মোনেম গ্রুপকেও দেওয়া হয়েছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সংস্কারের মাস পেরোতেই ধসে পড়ল কোটি টাকার সড়ক

শাইনপুকুর সিরামিকসকে বিশেষ সুবিধা দিল বাংলাদেশ ব্যাংক

আপডেট সময় : ০৬:৪৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জুলাই ২০২৬

বেক্সিমকো গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান শাইনপুকুর সিরামিকস লিমিটেডকে কাঁচামাল আমদানির জন্য বিশেষ আইনি ছাড় দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গ্রুপটির ঋণখেলাপি হওয়ার কারণে সৃষ্ট জটিলতায় প্রতিষ্ঠানটির আমদানি ঋণপত্র (এলসি) খোলার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন নির্দেশনায় এখন থেকে শতভাগ মার্জিন জমা দিয়ে প্রতিষ্ঠানটি এলসি খুলতে পারবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা নির্দেশনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ব্যাংক কোম্পানি আইনের বিশেষ ধারাটি শাইনপুকুর সিরামিকসের ক্ষেত্রে শিথিল থাকবে। তবে এই বিশেষ সুবিধার আওতায় কোনো ঋণ বা আর্থিক দায়ভার সরকার বা কেন্দ্রীয় ব্যাংক বহন করবে না বলে স্পষ্ট জানানো হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে ব্যাংক কোম্পানি আইনের কঠোর বিধিনিষেধের কারণে শাইনপুকুর সিরামিকস এলসি খুলতে পারছিল না। তবে প্রতিষ্ঠানটি ইচ্ছাকৃত ঋণখেলাপি না হওয়ায় এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ব্যাংক এই বিশেষ ছাড় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে একই ধরনের সুবিধা আবদুল মোনেম গ্রুপকেও দেওয়া হয়েছিল।