সংরক্ষিত মহিলা আসনের সংসদ সদস্যদের কার্যপরিধি এবং তাদের এলাকাভিত্তিক দায়িত্ব নিয়ে জাতীয় সংসদে প্রশ্ন উঠেছে। বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের আসনে বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের এমপিদের ‘অতিরিক্ত দায়িত্ব’ পালনের দাবি নিয়ে প্রশ্ন তোলেন এনসিপির সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি জানতে চান, বিএনপি কি এর মাধ্যমে একদলীয় শাসনব্যবস্থা তৈরি করতে চায়?
সোমবার জাতীয় সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে আখতার হোসেন এ প্রসঙ্গটি উত্থাপন করেন। এ সময় ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।
বিতর্কের সূত্রপাত হয় প্রশ্নোত্তর পর্বে সম্পূরক প্রশ্ন করার সময়। বিএনপি দলীয় সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য জীবা আমিনা খান বলেন, “গতকাল (রোববার) আমার অতিরিক্ত দায়িত্বের পীরগঞ্জ ও মিঠাপুকুর সফর করে এসেছি।” তিনি ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রধানমন্ত্রীর সিদ্ধান্তের কথা উল্লেখ করে হাসপাতালের জনবল সংকট নিরসনে তরুণ প্রজন্মকে প্রশিক্ষণ দিয়ে সহযোগী হিসেবে কাজ করার সুযোগের বিষয়ে সরকারের উদ্যোগ জানতে চান।
আখতার হোসেন তার বক্তব্যে বলেন, “বিরতির আগে সংরক্ষিত আসনের সরকারদলীয় এমপি বক্তব্য প্রদানের সময় বলেছিলেন, ‘আমার অতিরিক্ত দায়িত্ব’। অর্থাৎ তার অতিরিক্ত দায়িত্বের কথা বলে রংপুরের দুটো সংসদীয় আসনের কথা বলেছেন। তিনি সেখানে যাওয়ার পরে বিএনপির নেতাকর্মীদের এ ধরনের বক্তব্য দিতে শুনেছি— ‘এ আসনে নির্বাচিত যে এমপি রয়েছেন তিনি এমপি না, সংরক্ষিত আসনের যিনি এমপি তিনিই ওখানকার এমপি। যে ধরনের কাজ হোক না কেন, তার মাধ্যমে হতে হবে’।”
এ বিষয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট আঞ্চলিক নির্বাচনি এলাকা নেই; পুরো বাংলাদেশেই তারা সংসদীয় দায়িত্ব পালন করতে পারেন। তবে আখতার হোসেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পর তার প্রশ্নগুলো পুনর্ব্যক্ত করে জানতে চান, সেদিন প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমকে বলতে শোনা গিয়েছিল কাউকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়নি, তাহলে কোন বিষয়টি সত্য? অতিরিক্ত দায়িত্বের আওতা কত? সেটা কিভাবে পালন করা হবে? সেই অতিরিক্ত দায়িত্বের সাংবিধানিকতা কতটুকু?
রিপোর্টারের নাম 

























