ঢাকা ১২:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপে নরওয়ের অগ্নিপরীক্ষা: ইংল্যান্ডের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। একদিকে ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী দল ইংল্যান্ড, অন্যদিকে ইতিহাস গড়া নরওয়ে। এই ম্যাচটি কেবল সেমিফাইনালের টিকিট নির্ধারণ করবে না, বরং একটি প্রজন্মের গল্পও লিখবে।

ইংল্যান্ডের জন্য এটি বড় সুযোগ হলেও, শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে তাদের জয় সহজ ছিল না। নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টমাস টুখেলের দল ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজেদের দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে। জুড বেলিংহামের জোড়া গোল, হ্যারি কেইনের পেনাল্টি এবং পুরো দলের শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে, এই ইংল্যান্ড কেবল বল দখলে রেখে নয়, প্রয়োজনে পাল্টা আক্রমণেও ভয়ংকর হতে পারে। গত তিন ম্যাচে তারা অন্তত দুটি করে গোল করেছে এবং শেষ সাত ম্যাচে ছয়টি জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তবে, বিশ্বকাপের নকআউটে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের সাম্প্রতিক রেকর্ড কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

অন্যদিকে, নরওয়ে বিশ্বকাপ শুরুর আগে শিরোপা প্রত্যাশী না থাকলেও, এখন তারা পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছে। শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন আর্লিং হালান্ড, যিনি দুটি গোলেই অবদান রেখেছেন। এছাড়া, অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং সান্দের বের্গে’র মতো খেলোয়াড়রাও দলের শক্তি বাড়িয়েছেন। কোচ স্টালে সোলবাক্কেনের ৪-৩-৩ বা ৪-২-৩-১ ফর্মেশন প্রতিপক্ষের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কুলিয়ারচরে দুর্বৃত্তের হামলায় এক যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

বিশ্বকাপে নরওয়ের অগ্নিপরীক্ষা: ইংল্যান্ডের সামনে কঠিন চ্যালেঞ্জ

আপডেট সময় : ১১:০৮:২৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ার্টার ফাইনালে আজ বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় মায়ামির হার্ড রক স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হচ্ছে ইংল্যান্ড ও নরওয়ে। একদিকে ইউরোপের ঐতিহ্যবাহী দল ইংল্যান্ড, অন্যদিকে ইতিহাস গড়া নরওয়ে। এই ম্যাচটি কেবল সেমিফাইনালের টিকিট নির্ধারণ করবে না, বরং একটি প্রজন্মের গল্পও লিখবে।

ইংল্যান্ডের জন্য এটি বড় সুযোগ হলেও, শেষ ষোলোতে মেক্সিকোর বিপক্ষে তাদের জয় সহজ ছিল না। নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে টমাস টুখেলের দল ৩-২ ব্যবধানে জয়লাভ করে নিজেদের দৃঢ়তা প্রমাণ করেছে। জুড বেলিংহামের জোড়া গোল, হ্যারি কেইনের পেনাল্টি এবং পুরো দলের শৃঙ্খলাবদ্ধ পারফরম্যান্স প্রমাণ করে যে, এই ইংল্যান্ড কেবল বল দখলে রেখে নয়, প্রয়োজনে পাল্টা আক্রমণেও ভয়ংকর হতে পারে। গত তিন ম্যাচে তারা অন্তত দুটি করে গোল করেছে এবং শেষ সাত ম্যাচে ছয়টি জয় তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়েছে। তবে, বিশ্বকাপের নকআউটে ইউরোপীয় প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তাদের সাম্প্রতিক রেকর্ড কিছুটা উদ্বেগের কারণ হতে পারে।

অন্যদিকে, নরওয়ে বিশ্বকাপ শুরুর আগে শিরোপা প্রত্যাশী না থাকলেও, এখন তারা পুরো ফুটবল বিশ্বের নজর কেড়েছে। শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে তারা প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে। এই সাফল্যের মূল কারিগর ছিলেন আর্লিং হালান্ড, যিনি দুটি গোলেই অবদান রেখেছেন। এছাড়া, অধিনায়ক মার্টিন ওডেগার্ড এবং সান্দের বের্গে’র মতো খেলোয়াড়রাও দলের শক্তি বাড়িয়েছেন। কোচ স্টালে সোলবাক্কেনের ৪-৩-৩ বা ৪-২-৩-১ ফর্মেশন প্রতিপক্ষের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করছে।