ঢাকা ০১:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

ব্যথায় কাতর কোর্তোয়া, দলের স্বার্থে মাঠ ছাড়লেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে চোটের কবলে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তবে ম্যাচ শেষে তিনি জানিয়েছেন, তিনি খেলা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিলেন। গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে শট ঠেকাতে তার কোনো সমস্যা হচ্ছিল না, কিন্তু লম্বা গোল কিক নেওয়ার সময় তিনি তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন।

ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া বলেন, “আমার উরুর পেশিতে (কোয়াড্রিসেপস) প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছিল। কিন্তু গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে খেলতে আমার কোনো অসুবিধা ছিল না। শুধু লম্বা কিক নেওয়ার সময় ব্যথা অনুভব করছিলাম।” তিনি আরও জানান, মাঠে থাকার ইচ্ছা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রধান কোচ রুডি গার্সিয়া তাকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেন। কোর্তোয়ার ভাষায়, “শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে আমার কোনো সমস্যা নেই, কারণ দলের স্বার্থই সবার আগে।”

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কোর্তোয়ার পরিবর্তে মাঠে নামেন সেনে লামেন্স। পরবর্তীতে মিকেল মেরিনোর জয়সূচক গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে বেলজিয়াম বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ম্যাচ শেষে সতীর্থ লামেন্সের পাশেও দাঁড়ান কোর্তোয়া। গোলরক্ষকের ভুল নিয়ে কোনো সমালোচনা না করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি যেকোনো গোলরক্ষকের জীবনেই আসতে পারে এবং ভবিষ্যতে লামেন্স আরও দৃঢ়ভাবে ফিরে আসবেন বলে তার বিশ্বাস। ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়ার চোটের মাত্রা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পাশাপাশি তার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যোগ্য শিক্ষক থাকা সত্ত্বেও ইবির তিন বিভাগ চলছে ‘ধার করা’ সভাপতি দিয়ে: একাডেমিক কার্যক্রমে জটিলতা

ব্যথায় কাতর কোর্তোয়া, দলের স্বার্থে মাঠ ছাড়লেন বেলজিয়ান গোলরক্ষক

আপডেট সময় : ১২:১৩:০০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে স্পেনের বিপক্ষে ম্যাচে চোটের কবলে পড়ে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন বেলজিয়ামের অভিজ্ঞ গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়া। তবে ম্যাচ শেষে তিনি জানিয়েছেন, তিনি খেলা চালিয়ে যেতে প্রস্তুত ছিলেন। গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে শট ঠেকাতে তার কোনো সমস্যা হচ্ছিল না, কিন্তু লম্বা গোল কিক নেওয়ার সময় তিনি তীব্র ব্যথা অনুভব করছিলেন।

ম্যাচ শেষে কোর্তোয়া বলেন, “আমার উরুর পেশিতে (কোয়াড্রিসেপস) প্রচণ্ড ব্যথা হচ্ছিল। কিন্তু গোলপোস্টে দাঁড়িয়ে খেলতে আমার কোনো অসুবিধা ছিল না। শুধু লম্বা কিক নেওয়ার সময় ব্যথা অনুভব করছিলাম।” তিনি আরও জানান, মাঠে থাকার ইচ্ছা থাকলেও শেষ পর্যন্ত প্রধান কোচ রুডি গার্সিয়া তাকে বদলি করার সিদ্ধান্ত নেন। কোর্তোয়ার ভাষায়, “শেষ পর্যন্ত কোচ আমাকে তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এতে আমার কোনো সমস্যা নেই, কারণ দলের স্বার্থই সবার আগে।”

ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে কোর্তোয়ার পরিবর্তে মাঠে নামেন সেনে লামেন্স। পরবর্তীতে মিকেল মেরিনোর জয়সূচক গোলে ২-১ ব্যবধানে হেরে বেলজিয়াম বিশ্বকাপ থেকে বিদায় নেয়। ম্যাচ শেষে সতীর্থ লামেন্সের পাশেও দাঁড়ান কোর্তোয়া। গোলরক্ষকের ভুল নিয়ে কোনো সমালোচনা না করে তিনি বলেন, এমন পরিস্থিতি যেকোনো গোলরক্ষকের জীবনেই আসতে পারে এবং ভবিষ্যতে লামেন্স আরও দৃঢ়ভাবে ফিরে আসবেন বলে তার বিশ্বাস। ৩৪ বছর বয়সী কোর্তোয়ার চোটের মাত্রা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি। তবে বিশ্বকাপ থেকে বিদায়ের পাশাপাশি তার ক্লাব রিয়াল মাদ্রিদও তার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বিগ্ন।