ঢাকা ০১:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সুবিধা

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত সোমালিল্যান্ড অঞ্চলে একটি গোপন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের সন্নিকটে অবস্থিত বারবেরা বিমানবন্দরকে এই সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। ফরাসি সংবাদপত্র ‘ল্য মোঁদ’-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে এই স্থাপনা মূলত আবুধাবি, তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের সুবিধার জন্যই নির্মিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল—‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে ইউএই’। সোমালিল্যান্ডের রাজধানী হারগেইসা। দেশটি এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি একটি অত্যন্ত ব্যস্ত সামুদ্রিক রুটের অংশ। অঞ্চলটির প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে। বারবেরা বন্দরটি বাব আল-মান্দাব প্রণালীর খুব কাছে অবস্থিত, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকেই এই অঞ্চল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর নজরে রয়েছে। মিশরসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

‘ল্য মোঁদ’ তাদের প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে যে, ইসরাইল এবং সোমালিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উভয় পক্ষের সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত পারস্পরিক সফর অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, সোমালিল্যান্ডের সেনা কর্মকর্তাদের তেল আবিবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইসরাইলি সামরিক দলগুলো নিয়মিত বারবেরা ঘাঁটি পরিদর্শন করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতীয় প্রেসক্লাব সম্পাদক: সাংবাদিকতাকে দলীয়করণ নয়, সমাজের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরুন

সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি বানাচ্ছে আমিরাত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সুবিধা

আপডেট সময় : ১২:১৫:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬

সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) আন্তর্জাতিকভাবে অস্বীকৃত সোমালিল্যান্ড অঞ্চলে একটি গোপন সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করছে। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথের সন্নিকটে অবস্থিত বারবেরা বিমানবন্দরকে এই সামরিক ঘাঁটিতে রূপান্তর করা হচ্ছে। ফরাসি সংবাদপত্র ‘ল্য মোঁদ’-এর এক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে, যেখানে বলা হয়েছে যে এই স্থাপনা মূলত আবুধাবি, তেল আবিব এবং ওয়াশিংটনের সুবিধার জন্যই নির্মিত হচ্ছে।

প্রতিবেদনটির শিরোনাম ছিল—‘যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য সোমালিল্যান্ডে গোপনে সামরিক ঘাঁটি তৈরি করছে ইউএই’। সোমালিল্যান্ডের রাজধানী হারগেইসা। দেশটি এডেন উপসাগরের তীরে অবস্থিত এবং এটি একটি অত্যন্ত ব্যস্ত সামুদ্রিক রুটের অংশ। অঞ্চলটির প্রায় ৮০০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলরেখা রয়েছে। বারবেরা বন্দরটি বাব আল-মান্দাব প্রণালীর খুব কাছে অবস্থিত, যা এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে বৈশ্বিক বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জলপথ। ১৯৯১ সালে সোমালিয়া থেকে স্বাধীনতা ঘোষণার পর থেকেই এই অঞ্চল আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শক্তিগুলোর নজরে রয়েছে। মিশরসহ আরব ও মুসলিম বিশ্বের তীব্র বিরোধিতা সত্ত্বেও ইসরাইল সোমালিল্যান্ডকে একটি স্বাধীন অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।

‘ল্য মোঁদ’ তাদের প্রতিবেদনে আরও জানিয়েছে যে, ইসরাইল এবং সোমালিল্যান্ডের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। উভয় পক্ষের সামরিক ও গোয়েন্দা প্রতিনিধিদের মধ্যে নিয়মিত পারস্পরিক সফর অব্যাহত রয়েছে। পাশাপাশি, সোমালিল্যান্ডের সেনা কর্মকর্তাদের তেল আবিবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং ইসরাইলি সামরিক দলগুলো নিয়মিত বারবেরা ঘাঁটি পরিদর্শন করছে।