ঢাকা ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৩ হাজার কোটি টাকা

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫৩ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই লক্ষ্যমাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরের জন্য চার লাখ নিরানব্বই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। নতুন সমন্বয়ের ফলে এখন বাকি সাত মাসে এনবিআরকে আদায় করতে হবে ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এ সময়ের লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্য থেকে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২১৯ কোটি টাকা, যা ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক পর্যায়ে থাকলেও লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান এনবিআরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজস্ব প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধীরগতি, আমদানি শুল্ক হ্রাস এবং করদাতাদের সম্মতি বাড়াতে এখন বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। বাকি সময়ে নতুন লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কর ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি, বকেয়া কর আদায় এবং নীতি-সহায়ক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পারমাণবিক ইস্যু অজুহাত, যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইরান

২০২৫-২৬ অর্থবছরে রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা বাড়লো ৫৩ হাজার কোটি টাকা

আপডেট সময় : ০৮:৫৫:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৪ নভেম্বর ২০২৫

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) চলমান ২০২৫-২৬ অর্থবছরের রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা ৫৩ হাজার কোটি টাকা বাড়িয়েছে। সোমবার (২৪ নভেম্বর) জারি করা এক বিজ্ঞপ্তিতে নতুন এই লক্ষ্যমাত্রার অনুমোদন দেওয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অর্থবছরের শুরুতে এনবিআরের জন্য চার লাখ নিরানব্বই হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য নির্ধারিত ছিল। নতুন সমন্বয়ের ফলে এখন বাকি সাত মাসে এনবিআরকে আদায় করতে হবে ৫ লাখ ৫৪ হাজার কোটি টাকা।

এনবিআরের হালনাগাদ পরিসংখ্যান বলছে, চলতি অর্থবছরের প্রথম চার মাসে মোট রাজস্ব আদায় হয়েছে ১ লাখ ১৯ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকা। এ সময়ের লক্ষ্য ছিল ১ লাখ ৩৬ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকা। অর্থাৎ লক্ষ্য থেকে ঘাটতি দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ২১৯ কোটি টাকা, যা ১২ দশমিক ৬০ শতাংশ কম।

গত অর্থবছরের একই সময়ে রাজস্ব প্রবৃদ্ধি ছিল ১৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। চলতি বছর প্রবৃদ্ধি ইতিবাচক পর্যায়ে থাকলেও লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গে ক্রমবর্ধমান ব্যবধান এনবিআরের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

রাজস্ব প্রশাসনের একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে ধীরগতি, আমদানি শুল্ক হ্রাস এবং করদাতাদের সম্মতি বাড়াতে এখন বিশেষ উদ্যোগ প্রয়োজন। বাকি সময়ে নতুন লক্ষ্য অর্জন করতে হলে কর ব্যবস্থাপনায় কঠোর নজরদারি, বকেয়া কর আদায় এবং নীতি-সহায়ক পদক্ষেপ নিতে হতে পারে।