ব্যাংক লুটেরাদের কোনো ক্ষমা হতে পারে না এবং তাদের ‘ডিম থেরাপি’ দিয়ে টাকা আদায় করতে হবে—এমন দাবি জানিয়েছেন মহিলা আসন-৪ এর সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু। বুধবার জাতীয় সংসদে তিনি এই কঠোর পদক্ষেপের আহ্বান জানান।
রেহানা আক্তার রানু বলেন, ব্যাংক লুটেরারা পৃথিবীর যেখানেই থাকুক, তাদের ফিরিয়ে এনে ‘ডিম থেরাপি’ দিয়ে এই টাকা আদায় করতে হবে। তিনি এক নারী গ্রাহকের স্বপ্ন দেখার কথা উল্লেখ করে বলেন, ওই নারী স্বপ্ন দেখেছেন অর্থমন্ত্রী তার টাকা ফিরিয়ে দিয়েছেন এবং তার প্রশ্ন ছিল, এই স্বপ্ন কি সত্যি হবে?
গত ৪ জুলাই অর্থমন্ত্রীর চট্টগ্রামের বাসার সামনে গ্রাহকদের মানববন্ধনের কথা উল্লেখ করে সংসদ সদস্য বলেন, গ্রাহকরা সঠিক জায়গায় তাদের আকুতি জানিয়েছেন। ৭৫ লাখ গ্রাহকের প্রাণের দাবির সঙ্গে সহমত প্রকাশ করে তিনি জানতে চান, ব্যাংক ডাকাতদের ডাকাতির খেসারত কেন আমানতকারীদের দিতে হবে এবং আমানতকারীদের কী অপরাধ?
জবাবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঘটনাটিকে ‘হৃদয়বিদারক’ উল্লেখ করে আশ্বস্ত করেন, আমানতকারীরা তাদের টাকা সুদসহ ফেরত পাবেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, যেহেতু সুদসহ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা বলা হচ্ছে, তাই ‘হেয়ার কাট’ (আমানতের মূল অংশ হারানো) হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না।
তবে অর্থমন্ত্রী জানান, ব্যাংকগুলো বর্তমানে লোকসানে থাকায় পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে কিছুটা সময়ের প্রয়োজন হবে। তিনি আরও বলেন, আমানত সুরক্ষা আইনের আওতায় সুরক্ষার পরিমাণ ১ লাখ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকায় উন্নীত করা হয়েছে। এছাড়া ব্যাংক লুটেরাদের শনাক্ত করতে বিশেষ ফরেনসিক অডিট চলছে।
মন্ত্রী দৃঢ়ভাবে বলেন, ব্যাংক রেজুলেশন আইনের ৫৭ ধারা অনুযায়ী, দায়ী ব্যক্তিদের দেশি-বিদেশি সম্পত্তি ও তহবিল নিলাম বা বিক্রয় করে গ্রাহকের টাকা উদ্ধার করা হবে।
রিপোর্টারের নাম 
























