ঢাকা ১১:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৭ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে মোবাইল মেকানিককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, চিকিৎসাধীন

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক মর্মান্তিক ঘটনায় মো. হারুন (৩০) নামে এক মোবাইল মেকানিককে তার দোকানঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।

হারুন, যিনি জেলার তেওয়ারীগঞ্জ এলাকার মৌলভীর হাট বাজারে মোবাইল মেরামতের কাজ করতেন, গত রবিবার সকালে তার পাশের দোকানের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে খবর পেয়ে তার পরিবার জানতে পারে যে তিনি দোকানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। প্রথমে তাকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।

হারুনের ভাই মো. ফারুক হোসেন জানান, তার মাথায় একাধিক কোপের চিহ্ন রয়েছে এবং প্রায় দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও জ্ঞান ফিরে পাননি বা কথা বলতে পারছেন না। কারা এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও অজ্ঞাত। পরিবারের সদস্য নাজিম উদ্দিন সুজন জানান, হারুনের মাথায় কাঠের রোলার দিয়ে আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় দাগ রয়েছে। ঘটনার রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি এবং দোকানেই ছিলেন। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। লক্ষ্মীপুর সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে, তবে এখনও কোনো তথ্য উদঘাটন হয়নি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জনস্বাস্থ্য ও নারীর ক্ষমতায়নে পিএসটিসির ৫০ বছরের অবদান অনস্বীকার্য: সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী

লক্ষ্মীপুরে মোবাইল মেকানিককে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার, চিকিৎসাধীন

আপডেট সময় : ১০:২১:২০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের কমলনগরে এক মর্মান্তিক ঘটনায় মো. হারুন (৩০) নামে এক মোবাইল মেকানিককে তার দোকানঘর থেকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়েছে। তার মাথায় একাধিক গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন আছেন।

হারুন, যিনি জেলার তেওয়ারীগঞ্জ এলাকার মৌলভীর হাট বাজারে মোবাইল মেরামতের কাজ করতেন, গত রবিবার সকালে তার পাশের দোকানের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকে খবর পেয়ে তার পরিবার জানতে পারে যে তিনি দোকানে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন। প্রথমে তাকে কমলনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়, কিন্তু অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানকার চিকিৎসকরা দ্রুত ঢাকায় স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।

হারুনের ভাই মো. ফারুক হোসেন জানান, তার মাথায় একাধিক কোপের চিহ্ন রয়েছে এবং প্রায় দুই দিন পেরিয়ে গেলেও তিনি এখনও জ্ঞান ফিরে পাননি বা কথা বলতে পারছেন না। কারা এই হামলার ঘটনা ঘটিয়েছে তা এখনও অজ্ঞাত। পরিবারের সদস্য নাজিম উদ্দিন সুজন জানান, হারুনের মাথায় কাঠের রোলার দিয়ে আঘাতের চিহ্ন এবং গলায় দাগ রয়েছে। ঘটনার রাতে তিনি বাড়িতে ফেরেননি এবং দোকানেই ছিলেন। এই ঘটনায় থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। লক্ষ্মীপুর সদর থানার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই মো. ইব্রাহিম খলিল জানিয়েছেন, মামলা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে, তবে এখনও কোনো তথ্য উদঘাটন হয়নি।