ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) কুদস ফোর্সের কমান্ডার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইসমাইল কানি বলেছেন, প্রয়াত আয়াতুল্লাহ সাইয়্যেদ আলি খামেনির ইরাকে অনুষ্ঠিত জানাজা ইরান ও ইরাকের জনগণের পারস্পরিক সংহতিকে আরও শক্তিশালী করবে এবং যুক্তরাষ্ট্রের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দুই জাতির ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে।
মঙ্গলবার প্রকাশিত এক বার্তায় কানি বলেন, নাজাফ ও কারবালায় অনুষ্ঠিতব্য এই জানাজা কেবল দুই দেশের জনগণের ঐক্যই গভীর করবে না, বরং প্রতিরোধ আন্দোলনের শহীদ নেতাদের ন্যায়বিচারের দাবিকেও আরও জোরালো করবে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, আয়াতুল্লাহ খামেনির সমর্থন এবং ইরাকের ধর্মীয় নেতৃত্বের ভূমিকা দেশটিতে আইএস-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে।
২০২০ সালে বাগদাদ বিমানবন্দরের কাছে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় নিহত আইআরজিসির সাবেক কুদস ফোর্স প্রধান জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের জনপ্রিয় স্বেচ্ছাসেবী বাহিনীর উপপ্রধান আবু মাহদি আল-মুহান্দিসের প্রসঙ্গ টেনে কানি বলেন, তারা দুই দেশের জন্যই আত্মত্যাগের অভিন্ন প্রতীক। তিনি দাবি করেন, খামেনির শেষকৃত্যও সোলাইমানি ও আল-মুহান্দিসের জানাজার মতোই যুক্তরাষ্ট্রবিরোধী প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করবে।
কারবালার গভর্নর ও প্রদেশের উচ্চ নিরাপত্তা কমিটির প্রধান নাসিফ জাসিম আল-খাত্তাবি জানিয়েছেন, জানাজা উপলক্ষে নিরাপত্তা ও লজিস্টিক প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তিনি জানান, অনুষ্ঠানটি দেশটির সরকার ও জনগণের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ লক্ষ্যে ফেডারেল সামরিক বাহিনী, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সেবা সংস্থার সঙ্গে একাধিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গভর্নর জানান, বুধবার থেকে শোকাহত মানুষ ও বিভিন্ন প্রতিনিধি দল কারবালায় আসতে শুরু করবে এবং নিরাপত্তা, পরিবহন ও জনসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সব পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে। জানাজা তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হবে বলে জানানো হয়েছে: প্রথম ধাপে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় আনুষ্ঠানিকতা, দ্বিতীয় ধাপে বুধবার নাজাফে জানাজার শোভাযাত্রা এবং শেষ ধাপে একই দিন বিকেলে কারবালায় চূড়ান্ত কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
রিপোর্টারের নাম 






















