ঢাকা ০১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

খামেনির দ্বিতীয় জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকালে রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়ে তীব্র শোক প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এই জনসমাগমকে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম হিসেবে বর্ণনা করেছে।

গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকের অংশ হিসেবে রোববার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকেই তেহরানের রাস্তাগুলোতে শোকার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। এর আগে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য তার মরদেহ দুই দিন গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছিল। জানাজা ও শোক র‍্যালিকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতা নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরানের শাসনভার পরিচালনা করে আসছিলেন। নিরাপত্তার কারণে তার ছেলে মোজতবা আলি খামেনি এই শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর ইরানে এটিই সবচেয়ে বড় শোকের জমায়েত বলে মনে করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস: নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার প্রাণহানি

খামেনির দ্বিতীয় জানাজায় শোকার্ত মানুষের ঢল, মধ্যপ্রাচ্যে উত্তাপ

আপডেট সময় : ১১:৪৮:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দ্বিতীয় জানাজা সম্পন্ন হয়েছে। সোমবার সকালে রাজধানী তেহরানের ফ্রিডম স্কয়ারে এই জানাজা অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে লাখ লাখ মানুষ সমবেত হয়ে তীব্র শোক প্রকাশের পাশাপাশি প্রতিশোধের অঙ্গীকার করেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম আইআরআইবি এই জনসমাগমকে আধুনিক ইতিহাসের অন্যতম বৃহত্তম হিসেবে বর্ণনা করেছে।

গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী রাষ্ট্রীয় শোকের অংশ হিসেবে রোববার প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সোমবার সকাল থেকেই তেহরানের রাস্তাগুলোতে শোকার্ত মানুষের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। এর আগে সর্বসাধারণের শ্রদ্ধার জন্য তার মরদেহ দুই দিন গ্র্যান্ড মোসাল্লা ধর্মীয় কমপ্লেক্সে রাখা হয়েছিল। জানাজা ও শোক র‍্যালিকে কেন্দ্র করে পুরো রাজধানীতে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় ৮৬ বছর বয়সী এই ধর্মীয় নেতা নিহত হন। ১৯৮৯ সাল থেকে তিনি ইরানের শাসনভার পরিচালনা করে আসছিলেন। নিরাপত্তার কারণে তার ছেলে মোজতবা আলি খামেনি এই শোক অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন না বলে জানা গেছে। ১৯৮৯ সালে আয়াতুল্লাহ খোমেনির অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর ইরানে এটিই সবচেয়ে বড় শোকের জমায়েত বলে মনে করা হচ্ছে।