ঢাকা ০১:২০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ছাত্র-জনতার বিপ্লবে ফ্যাসিবাদের পতন ও নতুন স্বাধীনতার উদয়

ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মুখে অবসান ঘটেছে দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনের। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে আন্দোলনকারীরা ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ বা ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে অভিহিত করছেন। সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শুরু হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত এক দফার গণদাবিতে রূপ নেয়, যার ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ২০২৪ সালের ৫ জুন উচ্চ আদালতের এক রায়ের মাধ্যমে। তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে শেখ হাসিনার বিতর্কিত মন্তব্য আন্দোলনকে আরও বেগবান করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। ১৫ জুলাই শাসক দলের ছাত্রসংগঠন ও বহিরাগতদের হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের শাহাদত বরণের ঘটনা পুরো দেশকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।

পরবর্তীতে ১৮ জুলাই দেশব্যাপী ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালিত হয়। নজিরবিহীন দমন-পীড়ন, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করা এবং নির্বিচারে গুলি চালিয়েও আন্দোলন থামানো যায়নি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই গণজোয়ার এক ঐতিহাসিক বিপ্লবে পরিণত হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস: নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার প্রাণহানি

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: ছাত্র-জনতার বিপ্লবে ফ্যাসিবাদের পতন ও নতুন স্বাধীনতার উদয়

আপডেট সময় : ১০:৪৩:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

ছাত্র-জনতার অভূতপূর্ব আন্দোলনের মুখে অবসান ঘটেছে দীর্ঘ ১৬ বছরের আওয়ামী লীগ শাসনের। জুলাই গণঅভ্যুত্থানকে আন্দোলনকারীরা ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ বা ‘৩৬ জুলাই’ হিসেবে অভিহিত করছেন। সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শুরু হওয়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন শেষ পর্যন্ত এক দফার গণদাবিতে রূপ নেয়, যার ফলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন।

আন্দোলনের সূত্রপাত হয় ২০২৪ সালের ৫ জুন উচ্চ আদালতের এক রায়ের মাধ্যমে। তবে জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে শেখ হাসিনার বিতর্কিত মন্তব্য আন্দোলনকে আরও বেগবান করে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা রাজপথে নেমে আসেন। ১৫ জুলাই শাসক দলের ছাত্রসংগঠন ও বহিরাগতদের হামলায় পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়। ১৬ জুলাই রংপুরে পুলিশের গুলিতে আবু সাঈদের শাহাদত বরণের ঘটনা পুরো দেশকে বিক্ষুব্ধ করে তোলে।

পরবর্তীতে ১৮ জুলাই দেশব্যাপী ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালিত হয়। নজিরবিহীন দমন-পীড়ন, ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করা এবং নির্বিচারে গুলি চালিয়েও আন্দোলন থামানো যায়নি। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই গণজোয়ার এক ঐতিহাসিক বিপ্লবে পরিণত হয়, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে।