বাংলাদেশের ইতিহাসে ২০২৪ সালের জুলাই মাস এক অবিস্মরণীয় অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কোটা সংস্কার আন্দোলন থেকে শুরু হওয়া এই গণজাগরণ শেষ পর্যন্ত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের পতন ঘটায়। ছাত্র-জনতার এই বিজয়কে ‘দ্বিতীয় স্বাধীনতা’ হিসেবে উদযাপন করা হচ্ছে। নজিরবিহীন গণহত্যা ও দমন-পীড়ন উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষের রাজপথে নেমে আসা ছিল এই আন্দোলনের মূল শক্তি।
আন্দোলনের টার্নিং পয়েন্ট ছিল ১৬ জুলাই রংপুরের আবু সাঈদের আত্মত্যাগ। পুলিশের বন্দুকের সামনে বুক পেতে দিয়ে তিনি যে সাহসিকতা দেখিয়েছেন, তা সারা দেশের মানুষকে ঘর থেকে বের করে আনে। এরপর ১৮ জুলাইয়ের ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ এবং পরবর্তীতে এক দফার আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে রাজপথ। ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ও কারফিউ দিয়েও এই গণজোয়ার রোধ করা সম্ভব হয়নি।
শেষ পর্যন্ত ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার লং মার্চ টু ঢাকা কর্মসূচির মুখে শেখ হাসিনা দেশত্যাগ করতে বাধ্য হন। এই আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রমাণ করেছেন যে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ শক্তি সবসময় অপরাজেয়। এই অভ্যুত্থান কেবল ক্ষমতার পরিবর্তন নয়, বরং রাষ্ট্রে কাঠামোগত সংস্কার ও বৈষম্যমুক্ত সমাজ গড়ার এক নতুন স্বপ্ন দেখিয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















