ঢাকা ০১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের অবমাননা: আর কতকাল সইবে বাংলাদেশ?

জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষাকে নস্যাৎ করতে একটি গোষ্ঠী এখনো সক্রিয় রয়েছে। সম্প্রতি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে ধরনের কটাক্ষ ও নেতিবাচক প্রচারণা চলছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। বিশেষ করে বিগত ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত একদল সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মী তাদের লেখনী এবং প্রচারণার মাধ্যমে শহীদদের স্মৃতিকে অপমানিত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার যখন এসব ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য বা ইতিহাস বিকৃতি শোনে, তখন তাদের শোক আরও ঘনীভূত হয়। আবু সাঈদ, মুগ্ধ বা ইয়ামিনদের মতো যারা জীবন দিয়ে গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করেছেন, তাদের আত্মত্যাগকে ‘পরিকল্পিত নকশা’ বলে অভিহিত করা কেবল অমানবিকই নয়, বরং তা শহীদদের দ্বিতীয়বার হত্যার শামিল।

ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তাদের আদর্শিক অনুসারীরা এখনো সমাজে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। শহীদ পরিবারের আবেগ এবং ত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে। জুলাই বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃতি থেকে রক্ষা করা এবং শহীদদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখাই হবে বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

উখিয়ায় ভারি বর্ষণে পাহাড়ধস: নারী ও শিশুসহ ৮ রোহিঙ্গার প্রাণহানি

জুলাই বিপ্লবের শহীদদের অবমাননা: আর কতকাল সইবে বাংলাদেশ?

আপডেট সময় : ১০:৪২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৬ জুলাই ২০২৬

জুলাই অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে অর্জিত নতুন বাংলাদেশের আকাঙ্ক্ষাকে নস্যাৎ করতে একটি গোষ্ঠী এখনো সক্রিয় রয়েছে। সম্প্রতি জুলাই বিপ্লবের শহীদদের নিয়ে বিভিন্ন মহলে যে ধরনের কটাক্ষ ও নেতিবাচক প্রচারণা চলছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশিষ্টজনেরা। বিশেষ করে বিগত ফ্যাসিবাদের দোসর হিসেবে পরিচিত একদল সাংবাদিক, বুদ্ধিজীবী ও সাংস্কৃতিক কর্মী তাদের লেখনী এবং প্রচারণার মাধ্যমে শহীদদের স্মৃতিকে অপমানিত করার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের পরিবার যখন এসব ব্যঙ্গাত্মক মন্তব্য বা ইতিহাস বিকৃতি শোনে, তখন তাদের শোক আরও ঘনীভূত হয়। আবু সাঈদ, মুগ্ধ বা ইয়ামিনদের মতো যারা জীবন দিয়ে গণতন্ত্রের পথ প্রশস্ত করেছেন, তাদের আত্মত্যাগকে ‘পরিকল্পিত নকশা’ বলে অভিহিত করা কেবল অমানবিকই নয়, বরং তা শহীদদের দ্বিতীয়বার হত্যার শামিল।

ফ্যাসিবাদের পতন ঘটলেও তাদের আদর্শিক অনুসারীরা এখনো সমাজে বিভেদ তৈরির চেষ্টা করছে। শহীদ পরিবারের আবেগ এবং ত্যাগের মর্যাদা রক্ষায় রাষ্ট্র ও সমাজকে আরও সচেতন হতে হবে। জুলাই বিপ্লবের ইতিহাসকে বিকৃতি থেকে রক্ষা করা এবং শহীদদের সম্মান অক্ষুণ্ণ রাখাই হবে বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রধান জাতীয় দায়িত্ব।