টানা ভারী বর্ষণের কারণে কক্সবাজারে পৃথক তিনটি পাহাড়ধসের ঘটনায় নারী ও শিশুসহ ৯ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ৮ জন রোহিঙ্গা এবং একজন স্থানীয় বাসিন্দা। রোববার (৫ জুলাই) দিবাগত রাত থেকে সোমবার ভোর পর্যন্ত উখিয়া ও কক্সবাজার শহরের বিভিন্ন এলাকায় এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ১৫ নম্বর জামতলী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের ডি/৬ ব্লকে রাত ১টা ১০ মিনিটের দিকে পাহাড়ের মাটি ধসে একটি বসতঘরের ওপর পড়ে। এতে রোহিঙ্গা মোহাম্মদ কামাল হোসাইন, তার স্ত্রী হুমায়রা বেগম এবং ছেলে মোহাম্মদ আনাস ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
একই সময়ের মধ্যে ৭ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ি ঢলের চাপায় একরাম নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়।
পরে রাত ৩টার দিকে বালুখালী ১১ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের সি/১১ ব্লকে আরেকটি পাহাড়ধসে উম্মে হাবিবা, তানজিনা আক্তার, মোহাম্মদ রিহান ও হারুনুর রশিদ নিহত হন।
এদিকে সোমবার ভোররাত ৪টার দিকে কক্সবাজার শহরের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের ছাত্তার ঘোনা এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনায় আলী আকবর নামে এক ব্যক্তি মারা যান। ধসে একই পরিবারের তিনজন মাটিচাপা পড়লেও স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার করে তাদের হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসক আলী আকবরকে মৃত ঘোষণা করেন।
আবহাওয়া অধিদপ্তরের কক্সবাজার কার্যালয়ের সহকারী আবহাওয়াবিদ মো. আব্দুল হান্নান জানান, বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং সক্রিয় মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে কক্সবাজারে ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। আগামী আরও দুই দিন ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন।
এদিকে টানা বৃষ্টিপাতের কারণে পাহাড়ি এলাকায় বসবাসকারী মানুষকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রিপোর্টারের নাম 






















