ঢাকা ১১:১৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

পদায়ন নিয়ে চরম বিরোধ: যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোল ও বাদানুবাদ

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের স্থান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ। রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল ও বাদানুবাদের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সভাটি স্থগিত করতে বাধ্য হন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে অযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। বাদানুবাদের একপর্যায়ে তাঁরা একে অপরের প্রতি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন। কমিটির সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সভাপতি প্রশ্ন তুললে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। জবাবে সাধারণ সম্পাদকও অন্য কয়েকজন নেতার বিগত আন্দোলনে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, কমিটির মান ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে দুই শীর্ষ নেতার অনুসারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিতদের পদায়ন করায় সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা নিরসন না হওয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নালিতাবাড়ীতে জামায়াত নেতার ওপর হামলা ও ছিনতাই, জড়িতদের গ্রেপ্তারে বিক্ষোভ

পদায়ন নিয়ে চরম বিরোধ: যুবদলের জরুরি সভায় হট্টগোল ও বাদানুবাদ

আপডেট সময় : ১০:০৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের নবঘোষিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে বিতর্কিত ও নিষ্ক্রিয় ব্যক্তিদের স্থান দেওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে সংগঠনটির অভ্যন্তরীণ পরিবেশ। রোববার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সভায় এ নিয়ে ব্যাপক হট্টগোল ও বাদানুবাদের ঘটনা ঘটেছে। একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে সভাটি স্থগিত করতে বাধ্য হন সংশ্লিষ্টরা।

বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, সদ্য ঘোষিত ১৫১ সদস্যের কমিটিতে অযোগ্যদের অন্তর্ভুক্ত করা নিয়ে সভাপতি আবদুল মোনায়েম মুন্না ও সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম নয়নের মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। বাদানুবাদের একপর্যায়ে তাঁরা একে অপরের প্রতি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করেন। কমিটির সহ-সভাপতি ফিরোজ আবদুল্লাহর রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে সভাপতি প্রশ্ন তুললে উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। জবাবে সাধারণ সম্পাদকও অন্য কয়েকজন নেতার বিগত আন্দোলনে নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন তোলেন।

সভায় উপস্থিত একাধিক নেতা জানান, কমিটির মান ও শৃঙ্খলা বজায় রাখা নিয়ে দুই শীর্ষ নেতার অনুসারীদের মধ্যে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বিশেষ করে ত্যাগী কর্মীদের মূল্যায়ন না করে বিতর্কিতদের পদায়ন করায় সাধারণ সদস্যদের মধ্যেও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত উত্তেজনা নিরসন না হওয়ায় কোনো সিদ্ধান্ত ছাড়াই সভাটি পণ্ড হয়ে যায়।