ঢাকা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬

কর্ণফুলী টানেলের ৪৫০ কোটি টাকার রিসোর্ট অব্যবহৃত, ইজারা দিতে তৃতীয়বার দরপত্র আহ্বান

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের আনোয়ারা প্রান্তে ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিলাসবহুল অতিথিশালাটি দীর্ঘ দিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। বিশাল এই রাষ্ট্রীয় সম্পদ থেকে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়ে সরকার এখন বিপাকে পড়েছে। যথাযথ ইজারাদার না পাওয়ায় এখন তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সাত তারকা মানের এই রিসোর্টটিতে ভিআইপি বাংলো, সুইমিংপুলসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এর আগে দুই দফা দরপত্র আহ্বানে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়নি। দেশীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও তাদের প্রস্তাবিত মূল্য সরকারি প্রাক্কলনের চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। প্রায় ৭২ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই ‘সার্ভিস এরিয়া’ এখন রক্ষণাবেক্ষণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ রাজস্ব নিশ্চিত করতেই পুনরায় নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাবে এবং নির্দিষ্ট কিস্তিতে সরকারকে ভাড়া প্রদান করবে। কর্ণফুলী টানেলের লোকসানের মাঝে এই রিসোর্টটি চালু করা গেলে তা আয়ের একটি বড় উৎস হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

খামেনির জানাজা নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্যে ইরানের তীব্র প্রতিক্রিয়া: ‘নেই সভ্যতা, নেই সম্মান’

কর্ণফুলী টানেলের ৪৫০ কোটি টাকার রিসোর্ট অব্যবহৃত, ইজারা দিতে তৃতীয়বার দরপত্র আহ্বান

আপডেট সময় : ০৯:৪৩:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬

চট্টগ্রামের কর্ণফুলী টানেল প্রকল্পের আনোয়ারা প্রান্তে ৪৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত বিলাসবহুল অতিথিশালাটি দীর্ঘ দিন ধরে অব্যবহৃত অবস্থায় পড়ে আছে। বিশাল এই রাষ্ট্রীয় সম্পদ থেকে রাজস্ব আদায়ে ব্যর্থ হয়ে সরকার এখন বিপাকে পড়েছে। যথাযথ ইজারাদার না পাওয়ায় এখন তৃতীয়বারের মতো আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষ।

সাত তারকা মানের এই রিসোর্টটিতে ভিআইপি বাংলো, সুইমিংপুলসহ আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা রয়েছে। এর আগে দুই দফা দরপত্র আহ্বানে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান সাড়া দেয়নি। দেশীয় কয়েকটি প্রতিষ্ঠান আগ্রহ দেখালেও তাদের প্রস্তাবিত মূল্য সরকারি প্রাক্কলনের চেয়ে কম হওয়ায় তা গ্রহণ করা হয়নি। প্রায় ৭২ একর জায়গাজুড়ে নির্মিত এই ‘সার্ভিস এরিয়া’ এখন রক্ষণাবেক্ষণ করাই বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সেতু বিভাগ জানিয়েছে, স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ রাজস্ব নিশ্চিত করতেই পুনরায় নিলাম প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। ইজারাদার প্রতিষ্ঠান এটি পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাবে এবং নির্দিষ্ট কিস্তিতে সরকারকে ভাড়া প্রদান করবে। কর্ণফুলী টানেলের লোকসানের মাঝে এই রিসোর্টটি চালু করা গেলে তা আয়ের একটি বড় উৎস হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।