২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রামে সংঘটিত হত্যা ও সহিংসতার ঘটনায় দায়ের হওয়া ১৫১টি মামলার তদন্ত প্রক্রিয়া অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। দীর্ঘ সময় পার হলেও এখন পর্যন্ত মাত্র একটি মামলার অভিযোগপত্র বা চার্জশিট আদালতে জমা দিয়েছে পুলিশ। বাকি ১৫০টি মামলার তদন্ত এখনো শেষ হয়নি। ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর অভিযোগ, বিচারপ্রক্রিয়া প্রত্যাশিত গতিতে এগোচ্ছে না এবং নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের সঙ্গে যোগাযোগও অনেকাংশে কমে গেছে।
পুলিশ ও আদালত সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামে দায়ের হওয়া এসব মামলায় নাম উল্লেখ করে ১৩ হাজার ৪৫০ জন এবং অজ্ঞাতনামা আরও অন্তত ৩০ হাজার ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৫টি হত্যা মামলা রয়েছে। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অধিকাংশ মামলার তদন্ত প্রায় শেষ পর্যায়ে এবং খুব শীঘ্রই পর্যায়ক্রমে চার্জশিট দাখিল করা হবে। তদন্তে যাতে কোনো ফাঁকফোকর না থাকে, সেজন্য সাক্ষ্যপ্রমাণ ও আলামত অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে দাবি করছে প্রশাসন।
আসামিদের তালিকায় আওয়ামী লীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী ছাড়াও অনেক সাধারণ মানুষের নাম রয়েছে বলে জানা গেছে। সিএমপি কমিশনার জানিয়েছেন, ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশ তদন্তকাজ শেষ হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া মেনেই আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়া হবে। তবে শহীদ ও আহতদের স্বজনরা দ্রুত বিচার নিশ্চিতের দাবি জানিয়ে আসছেন। তারা মনে করছেন, দ্রুত চার্জশিট জমা না পড়লে অপরাধীরা পার পেয়ে যেতে পারে এবং বিচার পাওয়ার পথ দীর্ঘায়িত হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 





















