ঢাকা ০৩:৫১ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় ৩৪ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত প্রায় ৯০ হাজার মানুষ

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় চলতি সপ্তাহের বিধ্বংসী বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (ন্যাডমো) জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে রাজধানী আক্রায়, যেখানে ১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বন্যায় দেশটির সাতটি অঞ্চল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষই গ্রেটার আক্রা অঞ্চলের বাসিন্দা। এছাড়া সেন্ট্রাল, ভোল্টা ও আশান্তিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে জরুরি উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোতে খাদ্য ও চিকিৎসার চরম সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্থানীয় সংস্থাগুলো সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

ঘানায় ভয়াবহ বন্যায় ৩৪ জনের মৃত্যু, বাস্তুচ্যুত প্রায় ৯০ হাজার মানুষ

আপডেট সময় : ০২:১৫:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

পশ্চিম আফ্রিকার দেশ ঘানায় চলতি সপ্তাহের বিধ্বংসী বন্যায় প্রাণহানি বেড়ে ৩৪ জনে দাঁড়িয়েছে। দেশটির জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা (ন্যাডমো) জানিয়েছে, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। বন্যায় এখন পর্যন্ত প্রায় ৯০ হাজার মানুষ ঘরবাড়ি হারিয়ে বাস্তুচ্যুত হয়েছেন।

সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে রাজধানী আক্রায়, যেখানে ১২ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করা হয়েছে। বন্যায় দেশটির সাতটি অঞ্চল মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বাস্তুচ্যুতদের মধ্যে অর্ধেকের বেশি মানুষই গ্রেটার আক্রা অঞ্চলের বাসিন্দা। এছাড়া সেন্ট্রাল, ভোল্টা ও আশান্তিসহ বেশ কয়েকটি এলাকা পানির নিচে তলিয়ে গেছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নিখোঁজদের উদ্ধারে এবং দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌঁছে দিতে জরুরি উদ্ধারকারী দল কাজ করছে। বন্যাকবলিত অঞ্চলগুলোতে খাদ্য ও চিকিৎসার চরম সংকট দেখা দিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও স্থানীয় সংস্থাগুলো সমন্বিত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।