ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে তেহরানের রাজপথে নেমেছে লাখো মানুষের ঢল। এই শোকাতুর জনতাকে দেখা গেছে হাতে লাল পতাকা নিয়ে তেহরানের এঙ্গেলাব স্কয়ার ও গ্র্যান্ড মোসাল্লা কমপ্লেক্সের দিকে অগ্রসর হতে। শিয়া ঐতিহ্যে এই লাল পতাকা মূলত রক্তপাত ও চরম প্রতিশোধের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।
বিদায় অনুষ্ঠানে জড়ো হওয়া জনতা প্রচণ্ড ক্ষোভের সঙ্গে ‘আমেরিকার মৃত্যু হোক’ স্লোগান দিতে থাকে এবং তাদের নেতার মৃত্যুর বদলা নেওয়ার দাবি জানায়। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মতে, এই লাল পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে অনুসারীরা মূলত ইরান সরকারের কাছে তাদের নেতার হত্যাকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর সামরিক পদক্ষেপের দাবি জানাচ্ছেন।
আয়াতুল্লাহ খামেনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন না, বরং ইরানের ধর্মীয় ও সামাজিক কাঠামোতে তিনি ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী এক ব্যক্তিত্ব। তার প্রয়াণে মধ্যপ্রাচ্যের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। শোকের আবহে পুরো তেহরান এখন প্রতিশোধের সংকল্পে উত্তাল হয়ে উঠেছে।
রিপোর্টারের নাম 






















