ঢাকা ০৩:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

খামেনির দাফনের সময়সূচিতে গভীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য: গবেষকদের বিশ্লেষণ

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণের পেছনে গভীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ ইসলামি জানিয়েছেন, এই সময়টি শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র মহররম মাসের প্রথম ১০ দিনের ঠিক পরবর্তী সময়ের সঙ্গে মিলে যায়।

ইসলামি তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, মহররম মাসে ইমাম হুসেইন (রা.)-এর শাহাদাতকে স্মরণ করা হয়। ইরানিরা খামেনির মৃত্যুকে সেই ঐতিহাসিক শাহাদাতেরই একটি ধারাবাহিকতা হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চাইছে। বিশেষ করে অন্য দেশে থাকা শিয়া অনুসারীদের কাছে এই বার্তাটি অত্যন্ত শক্তিশালী আবেগ হিসেবে কাজ করছে।

অন্যদিকে, এই দাফন অনুষ্ঠানের সময়টি কাকতালীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাইয়ের সঙ্গেও মিলে গেছে। তবে গবেষক ইসলামি মনে করেন, ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের দিবসটি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। বরং তারা তাদের ধর্মীয় আদর্শ ও আধ্যাত্মিক বার্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। খামেনির এই বিদায় অনুষ্ঠানকে একটি ধর্মীয় বিপ্লবের প্রতীক হিসেবেই দেখছে তেহরান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মাদকমুক্ত সমাজ গড়ার প্রত্যয়ে রাজধানীতে বর্ণাঢ্য র‍্যালি ও সমাবেশ

খামেনির দাফনের সময়সূচিতে গভীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য: গবেষকদের বিশ্লেষণ

আপডেট সময় : ০২:১৩:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির দাফন অনুষ্ঠানের সময় নির্ধারণের পেছনে গভীর ধর্মীয় ও রাজনৈতিক তাৎপর্য রয়েছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তেহরান বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক মোহাম্মদ ইসলামি জানিয়েছেন, এই সময়টি শিয়া মুসলমানদের কাছে অত্যন্ত পবিত্র মহররম মাসের প্রথম ১০ দিনের ঠিক পরবর্তী সময়ের সঙ্গে মিলে যায়।

ইসলামি তার বিশ্লেষণে উল্লেখ করেন, মহররম মাসে ইমাম হুসেইন (রা.)-এর শাহাদাতকে স্মরণ করা হয়। ইরানিরা খামেনির মৃত্যুকে সেই ঐতিহাসিক শাহাদাতেরই একটি ধারাবাহিকতা হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরতে চাইছে। বিশেষ করে অন্য দেশে থাকা শিয়া অনুসারীদের কাছে এই বার্তাটি অত্যন্ত শক্তিশালী আবেগ হিসেবে কাজ করছে।

অন্যদিকে, এই দাফন অনুষ্ঠানের সময়টি কাকতালীয়ভাবে যুক্তরাষ্ট্রের স্বাধীনতা দিবস ৪ জুলাইয়ের সঙ্গেও মিলে গেছে। তবে গবেষক ইসলামি মনে করেন, ইরানিরা যুক্তরাষ্ট্রের দিবসটি নিয়ে মোটেও চিন্তিত নয়। বরং তারা তাদের ধর্মীয় আদর্শ ও আধ্যাত্মিক বার্তাকেই বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। খামেনির এই বিদায় অনুষ্ঠানকে একটি ধর্মীয় বিপ্লবের প্রতীক হিসেবেই দেখছে তেহরান।