ঢাকা ১২:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ জুলাই ২০২৬

রাজবাড়ীতে পদ্মার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ নৌ-চলাচল: ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা

রাজবাড়ী সদর উপজেলার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মিজানপুর ও বরাট ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পারপার হতে বাধ্য হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরাঞ্চলে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মূল ভূখণ্ডের স্কুলগুলোতে আসতে হয়। কয়েক দশক আগে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও তা নদী ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে চরের নতুন বসতি এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে খেয়া নৌকায় যাতায়াত করতে হয়।

বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রশস্ততা বেড়ে যাওয়ায় এবং তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে নৌকা চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। অনেক সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারে না, ফলে তাদের পড়াশোনায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। অনেক অভিভাবক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দিচ্ছেন, যা শেষ পর্যন্ত ঝরে পড়ার হার বাড়িয়ে দিচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বাকেরগঞ্জের মুগা খান মসজিদ: চারশ বছরের পুরনো মুঘল স্থাপত্যের এক অনন্য নিদর্শন

রাজবাড়ীতে পদ্মার চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ঝুঁকিপূর্ণ নৌ-চলাচল: ব্যাহত হচ্ছে শিক্ষা

আপডেট সময় : ১০:৪৭:২৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জুলাই ২০২৬

রাজবাড়ী সদর উপজেলার নদীবেষ্টিত চরাঞ্চলের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা জীবন চরম ঝুঁকির মুখে পড়েছে। বর্ষা মৌসুমে পদ্মা নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় যাতায়াত ব্যবস্থা আরও বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে মিজানপুর ও বরাট ইউনিয়নের অন্তত আটটি গ্রামের দুই শতাধিক শিক্ষার্থী প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌকায় নদী পারপার হতে বাধ্য হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চরাঞ্চলে কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠান না থাকায় শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে মূল ভূখণ্ডের স্কুলগুলোতে আসতে হয়। কয়েক দশক আগে একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় থাকলেও তা নদী ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে চরের নতুন বসতি এলাকায় কোনো বিদ্যালয় না থাকায় শিক্ষার্থীদের ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে খেয়া নৌকায় যাতায়াত করতে হয়।

বর্ষা মৌসুমে নদীর প্রশস্ততা বেড়ে যাওয়ায় এবং তীব্র স্রোত ও ঢেউয়ের কারণে নৌকা চলাচল অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। অনেক সময় প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে শিক্ষার্থীরা স্কুলে যেতে পারে না, ফলে তাদের পড়াশোনায় বড় ধরনের বিঘ্ন ঘটে। অনেক অভিভাবক নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে সন্তানদের স্কুলে পাঠানো বন্ধ করে দিচ্ছেন, যা শেষ পর্যন্ত ঝরে পড়ার হার বাড়িয়ে দিচ্ছে।