যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের উত্তেজনার মধ্যেই ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও শেষ বিদায় অনুষ্ঠান শুরু হয়েছে। তেহরানের রাজপথে কয়েক কোটি মানুষের সমাগম ঘটবে বলে ধারণা করছে কর্তৃপক্ষ। দীর্ঘ কয়েক দশকের অর্থনৈতিক সংকট এবং সাম্প্রতিক যুদ্ধের ধকল কাটিয়ে ওঠার আগেই এই বিশাল আয়োজনের মধ্য দিয়ে ইরান বিশ্ববাসীকে নিজেদের ঐক্য ও শক্তির বার্তা দিতে চাইছে।
ইরানি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এই জানাজা সফল করতে রাষ্ট্রের সব শক্তি নিয়োগ করা হয়েছে। সরকারি কর্মচারী থেকে শুরু করে সামরিক ও উদ্ধারকর্মীরা এই বিশাল জনস্রোত সামলাতে কাজ করছেন। এমনকি প্রতিবেশী শিয়া প্রধান দেশ ইরাকেও এই শোকযাত্রা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ইরানের পার্লামেন্ট স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফ এক বার্তায় বলেছেন, এই শোকের শক্তিকে ইরান দমে না যাওয়ার প্রমাণ হিসেবে বিশ্ববাসীর কাছে তুলে ধরা হবে।
নিরাপত্তাজনিত কারণে বর্তমান সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা আলী খামেনি এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকছেন না, কারণ সম্প্রতি তাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে ইসরায়েল। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এক হামলায় ৮৬ বছর বয়সি আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হওয়ার পর থেকেই মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা চরম আকার ধারণ করে। বর্তমানে কাতার ও পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় একটি স্থায়ী শান্তিচুক্তির আলোচনা চললেও খামেনির বিদায় অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইরান তার কঠোর অবস্থানের জানান দিচ্ছে।
রিপোর্টারের নাম 





















