ঢাকা ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

ইসরাইলের টার্গেটে ছিলেন ইরানের শীর্ষ নেতারা, শান্তি আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার ছক?

চলতি বছরের বসন্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন শান্তি আলোচনার সময় ইসরাইল ইরানের শীর্ষ দুই নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইসরাইলের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের কট্টরপন্থী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা। তবে, গত এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তাদের ভয় ছিল, যদি ইসরাইল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যা করে, তবে শান্তি আলোচনা পুরোপুরি ভেস্তে যাবে। এই আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে ইরানকে সতর্কবার্তা পাঠায়।

যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন বাহিনী ইরানের নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালালেও, ইসরাইলের মূল অগ্রাধিকার ছিল ইরানের নেতৃত্ব ধ্বংস করা। তারা ট্রাম্প প্রশাসনের পছন্দের বাস্তববাদী বা নরমপন্থী নেতাদেরও হত্যা করে, যারা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করে যে, যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ও ইসরাইলি লক্ষ্য এক থাকলেও, পরে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যায়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তি চাইছিল, সেখানে ইসরাইল প্রথম থেকেই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করে আসছিল।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত সতীর্থকে জয় উৎসর্গ রোনালদোর, রেকর্ড গড়ে শেষ ষোলোতে পর্তুগাল

ইসরাইলের টার্গেটে ছিলেন ইরানের শীর্ষ নেতারা, শান্তি আলোচনা ভেস্তে দেওয়ার ছক?

আপডেট সময় : ০৯:৩১:৩৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

চলতি বছরের বসন্তে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের গোপন শান্তি আলোচনার সময় ইসরাইল ইরানের শীর্ষ দুই নেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল বলে মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। এই ঘটনাটি দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, ইসরাইলের মূল লক্ষ্য ছিল ইরানের কট্টরপন্থী সরকারকে ক্ষমতাচ্যুত করা। তবে, গত এপ্রিল মাসে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনা শুরু হওয়ার পর মার্কিন প্রশাসন উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ে। তাদের ভয় ছিল, যদি ইসরাইল ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এবং পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফকে হত্যা করে, তবে শান্তি আলোচনা পুরোপুরি ভেস্তে যাবে। এই আশঙ্কার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন প্রশাসন মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি দেশের মাধ্যমে ইরানকে সতর্কবার্তা পাঠায়।

যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন বাহিনী ইরানের নৌ ও ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিতে হামলা চালালেও, ইসরাইলের মূল অগ্রাধিকার ছিল ইরানের নেতৃত্ব ধ্বংস করা। তারা ট্রাম্প প্রশাসনের পছন্দের বাস্তববাদী বা নরমপন্থী নেতাদেরও হত্যা করে, যারা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা প্রক্রিয়ায় যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনাগুলি প্রমাণ করে যে, যুদ্ধের শুরুতে মার্কিন ও ইসরাইলি লক্ষ্য এক থাকলেও, পরে তা সম্পূর্ণ ভিন্ন হয়ে যায়। যেখানে যুক্তরাষ্ট্র একটি শান্তি চুক্তি চাইছিল, সেখানে ইসরাইল প্রথম থেকেই যুদ্ধবিরতির বিরোধিতা করে আসছিল।