ঢাকা ১১:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬

খামেনির জানাজাকে সন্ত্রাসবিরোধী শক্তিশালী বার্তা হিসেবে উল্লেখ করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফনে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ হবে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও শক্তি প্রদর্শনের রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জবাব। একই সাথে এটি প্রমাণ করবে যে ইরানের জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আরও বলেন, এই বিশাল জনসমাগম বিশ্বকে জানিয়ে দেবে যে ইরানের জনগণ কোনো চাপ বা হুমকিতে ভীত নয়। তিনি বিশ্বাস করেন যে কোনো ঘটনাই এই জাতির দৃঢ় মনোবল ভাঙতে পারবে না এবং তারা একটি সমৃদ্ধ, স্বাধীন, শক্তিশালী ও গর্বিত ইরান গড়ে তুলবে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আশা প্রকাশ করেন যে ইরানের জনগণ এই ঐতিহাসিক বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবারও প্রমাণ করবে যে তারা নেতার আদর্শ ও পথের প্রতি অনুগত।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, খামেনির মৃত্যু কেবল ইরানের জনগণ নয়, মুসলিম বিশ্ব এবং বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যেও গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করেছে যে ইরানের ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা জনগণের বিশ্বাস, আদর্শ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, এই শাহাদাত কোনো পথের শেষ নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য, দৃঢ়তা ও অগ্রগতির একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু। অতীতেও কঠিন পরীক্ষার পর ইরান আরো শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এবারও তাই হবে।

তিনি খামেনির ভূমিকাকে ইরানের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, খামেনির নাম, চিন্তাধারা ও অবদান ইরানের ইতিহাস এবং বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষের স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবে। সবশেষে তিনি জাতি, ধর্ম বা রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সব ইরানিকে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে বিশ্ব আবারও ইরানের জাতীয় ঐক্য দেখতে পায়।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আর্জেন্টিনাকে হারাতে মরিয়া কেপ ভার্দে, মেসিকে নিয়ে নেই আলাদা পরিকল্পনা

খামেনির জানাজাকে সন্ত্রাসবিরোধী শক্তিশালী বার্তা হিসেবে উল্লেখ করলেন ইরানের প্রেসিডেন্ট

আপডেট সময় : ১০:৩৩:০৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩ জুলাই ২০২৬

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসউদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফনে জনগণের ব্যাপক অংশগ্রহণ হবে সন্ত্রাস, সহিংসতা ও শক্তি প্রদর্শনের রাজনীতির বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী জবাব। একই সাথে এটি প্রমাণ করবে যে ইরানের জনগণ দেশের স্বাধীনতা ও মর্যাদা রক্ষায় ঐক্যবদ্ধ।

বৃহস্পতিবার জাতির উদ্দেশে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আরও বলেন, এই বিশাল জনসমাগম বিশ্বকে জানিয়ে দেবে যে ইরানের জনগণ কোনো চাপ বা হুমকিতে ভীত নয়। তিনি বিশ্বাস করেন যে কোনো ঘটনাই এই জাতির দৃঢ় মনোবল ভাঙতে পারবে না এবং তারা একটি সমৃদ্ধ, স্বাধীন, শক্তিশালী ও গর্বিত ইরান গড়ে তুলবে। প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান আশা প্রকাশ করেন যে ইরানের জনগণ এই ঐতিহাসিক বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে আবারও প্রমাণ করবে যে তারা নেতার আদর্শ ও পথের প্রতি অনুগত।

প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, খামেনির মৃত্যু কেবল ইরানের জনগণ নয়, মুসলিম বিশ্ব এবং বিশ্বের স্বাধীনতাকামী মানুষের মধ্যেও গভীর শোকের সৃষ্টি করেছে। তবে এই ঘটনা প্রমাণ করেছে যে ইরানের ইসলামি রাষ্ট্রব্যবস্থা জনগণের বিশ্বাস, আদর্শ ও দৃঢ় ইচ্ছাশক্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। তিনি বলেন, এই শাহাদাত কোনো পথের শেষ নয়, বরং এটি জাতীয় ঐক্য, দৃঢ়তা ও অগ্রগতির একটি নতুন অধ্যায়ের শুরু। অতীতেও কঠিন পরীক্ষার পর ইরান আরো শক্তিশালী ও ঐক্যবদ্ধ হয়েছে, এবারও তাই হবে।

তিনি খামেনির ভূমিকাকে ইরানের নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার মূল শক্তি হিসেবে উল্লেখ করেন। তার মতে, খামেনির নাম, চিন্তাধারা ও অবদান ইরানের ইতিহাস এবং বিশ্বের স্বাধীনচেতা মানুষের স্মৃতিতে চিরকাল বেঁচে থাকবে। সবশেষে তিনি জাতি, ধর্ম বা রাজনৈতিক মতভেদ ভুলে সব ইরানিকে জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান, যাতে বিশ্ব আবারও ইরানের জাতীয় ঐক্য দেখতে পায়।