ইরানের সাবেক সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তেহরানে সমবেত হচ্ছেন বিশ্বের প্রায় ১০০টি দেশের প্রতিনিধিরা। এই তালিকায় বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান, পার্লামেন্ট স্পিকার এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা রয়েছেন। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এটি একটি ঐতিহাসিক মুহূর্ত হতে যাচ্ছে এবং এর মাধ্যমে মুসলিম বিশ্বের সংহতি প্রকাশ পাবে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে দেওয়া এক বিবৃতিতে জানান, শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে জানাজার মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু হবে। দাফন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সেখানে কয়েক লাখ মানুষের সমাগম হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও এই বিদায় অনুষ্ঠানে অংশ নিতে ইরানে পৌঁছাতে শুরু করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, শুক্রবার দুপুরের পর থেকে বিদেশি বিশিষ্ট ব্যক্তি ও রাজনৈতিক নেতারা জানাজায় শরিক হবেন। এই অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ইরান জুড়ে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য, এই নেতার প্রয়াণে মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে এক বড় ধরনের প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন বিশ্লেষকরা।
রিপোর্টারের নাম 
























