ঢাকা ০৩:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ জুলাই ২০২৬

চীনের সহায়তায় মিয়ানমারে পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বিতর্কিত মিতসোন বাঁধ প্রকল্প

  • রিপোর্টারের নাম
  • আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তীব্র প্রতিবাদ ও পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে দীর্ঘ এক দশক বন্ধ থাকার পর চীনের সহায়তায় আবারও শুরু হতে যাচ্ছে মিয়ানমারের বিতর্কিত মিতসোন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে অবস্থিত এই মেগা প্রকল্পটি আগামী আট বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বর্তমান জান্তা সরকার। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের চীন সফরের সময় এই প্রকল্পটি পুনরায় চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়। জান্তা সরকারের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের অর্ধেকেরও বেশি এখান থেকে পাওয়া সম্ভব হবে। তবে ২০০৯ সালে এই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ৩৬০ কোটি ডলার ধরা হলেও, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে তা বেড়ে ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় এমন বিশাল বাঁধ নির্মাণের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় নাগরিক সংগঠন। কাচিন রাজ্যের স্থানীয় মানুষ এবং পরিবেশবাদীরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। ২০১১ সালে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন সরকার এটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল। এখন নতুন করে কাজ শুরুর ঘোষণায় ওই অঞ্চলে আবারও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

অনলাইন জুয়ার বিরুদ্ধে কঠোর আইন, সর্বোচ্চ ১০ বছরের জেল

চীনের সহায়তায় মিয়ানমারে পুনরুজ্জীবিত হচ্ছে বিতর্কিত মিতসোন বাঁধ প্রকল্প

আপডেট সময় : ০১:৫১:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই ২০২৬

স্থানীয় জনগোষ্ঠীর তীব্র প্রতিবাদ ও পরিবেশগত উদ্বেগের কারণে দীর্ঘ এক দশক বন্ধ থাকার পর চীনের সহায়তায় আবারও শুরু হতে যাচ্ছে মিয়ানমারের বিতর্কিত মিতসোন জলবিদ্যুৎ প্রকল্প। দেশটির উত্তরাঞ্চলীয় কাচিন রাজ্যে অবস্থিত এই মেগা প্রকল্পটি আগামী আট বছরের মধ্যে শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে বর্তমান জান্তা সরকার। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সম্প্রতি মিয়ানমারের জান্তা প্রধান মিন অং হ্লাইংয়ের চীন সফরের সময় এই প্রকল্পটি পুনরায় চালুর বিষয়ে চূড়ান্ত আলোচনা হয়। জান্তা সরকারের দাবি, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে মিয়ানমারের প্রয়োজনীয় বিদ্যুতের অর্ধেকেরও বেশি এখান থেকে পাওয়া সম্ভব হবে। তবে ২০০৯ সালে এই প্রকল্পের প্রাথমিক ব্যয় ৩৬০ কোটি ডলার ধরা হলেও, বর্তমান বাজার পরিস্থিতিতে তা বেড়ে ১১ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এদিকে, ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকায় এমন বিশাল বাঁধ নির্মাণের ঝুঁকি নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় নাগরিক সংগঠন। কাচিন রাজ্যের স্থানীয় মানুষ এবং পরিবেশবাদীরা শুরু থেকেই এই প্রকল্পের বিরোধিতা করে আসছেন। ২০১১ সালে ব্যাপক বিক্ষোভের মুখে তৎকালীন সরকার এটি স্থগিত করতে বাধ্য হয়েছিল। এখন নতুন করে কাজ শুরুর ঘোষণায় ওই অঞ্চলে আবারও বড় ধরনের অস্থিরতার আশঙ্কা করা হচ্ছে।