যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সাময়িকভাবে নিষেধাজ্ঞা শিথিল করার পর আন্তর্জাতিক বাজারে ইরানের অপরিশোধিত তেল রপ্তানি ব্যাপক বৃদ্ধি পেয়েছে। তেহরান বর্তমানে ৬০ দিনের একটি বিশেষ সময়সীমা পেয়েছে, যার মাধ্যমে তারা নতুন ক্রেতা খুঁজে নেওয়া এবং দেশের জন্য প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছে।
ব্লুমবার্গের সাম্প্রতিক প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইরানের প্রায় ২ কোটিরও বেশি ব্যারেল তেল গত এক সপ্তাহ ধরে এশিয়ার বিভিন্ন সমুদ্রসীমায় ভাসমান অবস্থায় রয়েছে। এই পরিমাণটি আগের সপ্তাহের তুলনায় প্রায় ১৮ শতাংশ বেশি। ভর্টেক্সা ও ব্লুমবার্গের তথ্যমতে, বর্তমানে সাগরে থাকা ইরানের মোট তেলের পরিমাণ ৫ কোটি ৮০ লাখ থেকে ৬ কোটি ৮০ লাখ ব্যারেল পর্যন্ত হতে পারে। এই হিসাবের মধ্যে ট্রানজিটে থাকা এবং সাগরে অপেক্ষমাণ উভয় ধরনের কার্গোই অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাগরে ভাসমান এই তেলের সিংহভাগ কার্গোর কোনো নির্দিষ্ট গন্তব্য উল্লেখ নেই। অনেক জাহাজ সিঙ্গাপুর বা মালাক্কা প্রণালিতে অবস্থান করে এক জাহাজ থেকে অন্য জাহাজে তেল স্থানান্তরের কৌশল অবলম্বন করছে। একটি অন্তর্বর্তীকালীন চুক্তির অংশ হিসেবে গত জুন মাসে মার্কিন প্রশাসন ইরানি বন্দরগুলোর ওপর থেকে অবরোধ তুলে নেওয়ার পর এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত ইরান এই সুবিধা ভোগ করতে পারবে। যদি এই তেল বিক্রির প্রক্রিয়া সফল হয়, তবে ইরানের অর্থনীতি যেমন শক্তিশালী হবে, তেমনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে কূটনৈতিক দরকষাকষিতেও তারা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকবে। ইতিমধ্যে ইরান দাবি করেছে যে, নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের পর তারা এ পর্যন্ত ৪ কোটি ব্যারেলের বেশি তেল বিভিন্ন দেশে পাঠাতে সক্ষম হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















