বিশ্ববাজারে আবারও বেড়েছে সোনার দাম। জ্বালানি তেলের মূল্য চার মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে পৌঁছানো এবং যুক্তরাষ্ট্রের কর্মসংস্থান তথ্যের দুর্বলতার কারণে এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটেছে।
বৃহস্পতিবার সকালে স্পট গোল্ডের দাম ১.১ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৭৪.৬৫ ডলারে দাঁড়িয়েছে। এর আগের দিনই ২৩ জুনের পর সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছেছিল স্বর্ণ। একই সময়ে আগস্ট ডেলিভারির মার্কিন স্বর্ণ ফিউচারসের দামও সামান্য বৃদ্ধি পেয়ে ৪ হাজার ৮৭ ডলারে উঠেছে।
বাজার বিশ্লেষকরা বলছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যাশার চেয়ে দুর্বল কর্মসংস্থান উপাত্ত এবং তেলের দাম কমে যাওয়ায় মূল্যস্ফীতি নিয়ে উদ্বেগ কিছুটা কমেছে। এতে বিনিয়োগকারীরা নতুন করে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন, যার প্রভাব পড়েছে স্বর্ণের দামে।
জুন মাসে যুক্তরাষ্ট্রের বেসরকারি খাতে ৯৮ হাজার নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে, যেখানে অর্থনীতিবিদদের পূর্বাভাস ছিল ১ লাখ ১৮ হাজার। প্রত্যাশার চেয়ে কম কর্মসংস্থান সৃষ্টির এই তথ্য প্রকাশের পর গত সাত মাসেরও বেশি সময়ের সর্বনিম্ন অবস্থান থেকে ঘুরে দাঁড়ায় স্বর্ণের বাজার।
একজন বাজার বিশ্লেষক মন্তব্য করেছেন, বাজারে এখন নিম্নমুখী প্রবণতা নিয়ে সতর্কতা রয়েছে। কারণ, দাম কমলেও তা দ্রুতই আবার বাড়ছে।
এদিকে, একজন ফেড চেয়ার জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে মূল্যস্ফীতি নিয়ে প্রত্যাশা ও ঝুঁকি কিছুটা হ্রাস পেয়েছে। তবে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ফেড এখনও মূল্যস্ফীতিকে ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রায় নামিয়ে আনতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তথ্য অনুযায়ী, সেপ্টেম্বরে ফেড সুদহার বাড়াতে পারে এমন সম্ভাবনা বর্তমানে প্রায় ৬৬ শতাংশ হিসেবে বিবেচনা করছেন বাজারসংশ্লিষ্টরা।
শুধু স্বর্ণ নয়, অন্যান্য মূল্যবান ধাতুর দামও বেড়েছে। এর মধ্যে স্পট রুপার দাম ১.৫ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ৬০.০৩ ডলারে, প্লাটিনামের দাম ২.৪ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ৬১৪.৮০ ডলারে এবং প্যালাডিয়ামের দাম ২.১ শতাংশ বেড়ে ১ হাজার ২৩৪.৮৯ ডলারে পৌঁছেছে।
রিপোর্টারের নাম 
























