চট্টগ্রামের রাউজানে যুবদল নেতা মাকসুদুল হক চৌধুরী মাসুদ হত্যাকাণ্ডের পর অপরাধীদের কাছে ভুক্তভোগীদের অবস্থান-সংক্রান্ত তথ্য পৌঁছানোর বিষয়টি নিয়ে গভীর রহস্য দানা বেঁধেছে। মাত্র কয়েক মিনিটের অপারেশনে যেভাবে নিখুঁতভাবে গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে, তাতে প্রযুক্তিগত নজরদারি বা স্থানীয় তথ্যদাতাদের সম্পৃক্ততার সন্দেহ জোরালো হচ্ছে। নিহতের স্বজনরা মোবাইল ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তথ্য পাচারের অভিযোগ তুললেও পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছে।
নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় থাকা গডফাদারদের নির্মূল করা না গেলে এই ধরনের সুপরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বন্ধ করা কঠিন। গত কয়েক মাসে চট্টগ্রাম ও রাউজানে অন্তত ৩৫টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার বেশির ভাগই ঘটেছে চলাচলের পথে বা নির্জন স্থানে। এই ধারাবাহিক সহিংসতা সাধারণ মানুষের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করেছে। প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
রিপোর্টারের নাম 






















