ভেনেজুয়েলায় বুধবার আঘাত হানা ৭.২ এবং ৭.৫ মাত্রার দুটি শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর দেশজুড়ে শত শত আফটারশক (পরবর্তী কম্পন) রেকর্ড করা হয়েছে। এসব আফটারশকের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে চলমান উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রম আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা স্থানীয়দের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
ভেনেজুয়েলার ফাউন্ডেশন ফর সিসমোলজিক্যাল রিসার্চ নিয়মিত নতুন আফটারশকের তথ্য প্রকাশ করছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ আফটারশকের মাত্রা ৩-এর নিচে হওয়ায় সেগুলো সাধারণ মানুষ সরাসরি অনুভব করতে পারছে না। তবে, বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় বিকেলে রাজধানী কারাকাস উপকূলের কাছে ৪.৬ মাত্রার একটি ভূমিকম্প রেকর্ড করে যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস)। এই কম্পনটি ব্যাপকভাবে অনুভূত হলেও এতে নতুন করে কোনো ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, আফটারশক হলো মূল ভূমিকম্পের পর সংঘটিত অপেক্ষাকৃত ছোট কম্পন, যা প্রধান ভূমিকম্পের ফলে টেকটোনিক প্লেটগুলোর ওপর সৃষ্ট চাপের পরিবর্তনের কারণে ঘটে। ইউএসজিএস জানিয়েছে, অগভীর গভীরতায় সংঘটিত ভূমিকম্পের ক্ষেত্রে আফটারশক হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এ ধরনের কম্পন চলমান উদ্ধার তৎপরতার জন্যও বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করতে পারে এবং নতুন করে ধসের কারণ হতে পারে।
রিপোর্টারের নাম 

























