দেশের অর্থনৈতিক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং বিদেশে পাচার হওয়া অর্থ দ্রুত দেশে ফেরত আনার বিষয়ে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার জাতীয় সংসদে বাজেট অধিবেশনের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদী শাসন ব্যবস্থার অবসান ঘটিয়ে একটি স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলাই সরকারের মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে তিনি প্রস্তাবিত বাজেটে সাধারণ মানুষের করের বোঝা কমাতে এবং দেশীয় শিল্পের বিকাশে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সংশোধনী প্রস্তাব পেশ করেন।
প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তি শ্রেণির করদাতাদের জন্য করমুক্ত আয়ের সীমা ধাপে ধাপে বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছেন। ২০৩০-৩১ কর বছর নাগাদ এই সীমা ৫ লাখ টাকায় উন্নীত করার অনুরোধ জানান তিনি। এছাড়া কালো টাকা সাদা করার বিতর্কিত বিধানটি অবিলম্বে বাতিল করার জন্য তিনি অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান। বেসরকারি উচ্চশিক্ষার প্রসারে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত কর ১০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়ে তিনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে গবেষণা ও ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপনে আরও বিনিয়োগ করার পরামর্শ দেন।
বাজেট বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন এবং দেশীয় শিল্প সুরক্ষায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। তিনি পার্বত্য ও সমতল অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর পেশাজীবীদের বেতনভোগী আয় করমুক্ত করার পাশাপাশি চিংড়ি শিল্পে ব্যবহৃত বিভিন্ন উপকরণ আমদানিতে শুল্ক ও ভ্যাট প্রত্যাহারের প্রস্তাব দেন। স্থানীয় শিল্পের কাঁচামাল আমদানিতেও রেয়াতি সুবিধা প্রদানের বিষয়ে তিনি সরকারের সদিচ্ছার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।
রিপোর্টারের নাম 






















