ঢাকা ০২:০০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

এইচএসসি আইসিটি: দ্বিতীয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষায় অনুধাবনমূলক বা ‘খ’ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সাধারণত এই প্রশ্নের জন্য ২ নম্বর বরাদ্দ থাকে। পূর্ণ নম্বর নিশ্চিত করতে উত্তরটি দুটি সুনির্দিষ্ট প্যারায় লেখা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। প্রথম প্যারায় সরাসরি জ্ঞানমূলক অংশ এবং দ্বিতীয় প্যারায় সেটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করলে পরীক্ষকের জন্য মূল্যায়ন করা সহজ হয়।

বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী দ্বিতীয় অধ্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখানে নমুনা হিসেবে আলোচনা করা হলো। যেমন, ‘অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় বেশি লাগে কেন?’ এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, যে পদ্ধতিতে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস বলে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সঙ্গে অতিরিক্ত স্টার্ট ও স্টপ বিট যুক্ত হওয়ার কারণে এবং ডেটা চলাচলের বিরতি সমান না হওয়ায় সময় তুলনামূলক বেশি লাগে।

আবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় যে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়, তাকে হাফ ডুপ্লেক্স বলা হয়। কারণ শিক্ষক যখন কথা বলেন তখন শিক্ষার্থীরা শোনে, আবার শিক্ষার্থীরা যখন প্রশ্ন করে তখন শিক্ষক শোনেন। অর্থাৎ তথ্য উভয় দিকে প্রবাহিত হলেও তা একই সময়ে ঘটে না। অন্যদিকে, টেলিফোন বা মোবাইলের মতো ডিভাইসে ফুল ডুপ্লেক্স মোড কাজ করে, যেখানে একই সময়ে উভয় পক্ষ থেকে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।

পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ হলো, অনুধাবনমূলক উত্তর খুব বেশি বড় না করে ৪ থেকে ৬ লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। এতে সময়ের সাশ্রয় হবে এবং উত্তরের মানও বজায় থাকবে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আইসিটির এই কারিগরি বিষয়গুলো সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

‘বাংলাদেশি সমর্থকরা যেন এক অর্থে আর্জেন্টাইন’: বিশ্বকাপে আপ্লুত মার্টিনেজ

এইচএসসি আইসিটি: দ্বিতীয় অধ্যায়ের গুরুত্বপূর্ণ অনুধাবনমূলক প্রশ্ন ও উত্তর

আপডেট সময় : ১২:৩৭:৩২ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৮ জুন ২০২৬

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) বিষয়ের পরীক্ষায় অনুধাবনমূলক বা ‘খ’ নম্বর প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বেশ সতর্কতা অবলম্বন করতে হয়। সাধারণত এই প্রশ্নের জন্য ২ নম্বর বরাদ্দ থাকে। পূর্ণ নম্বর নিশ্চিত করতে উত্তরটি দুটি সুনির্দিষ্ট প্যারায় লেখা সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি। প্রথম প্যারায় সরাসরি জ্ঞানমূলক অংশ এবং দ্বিতীয় প্যারায় সেটির বিস্তারিত ব্যাখ্যা প্রদান করলে পরীক্ষকের জন্য মূল্যায়ন করা সহজ হয়।

বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী দ্বিতীয় অধ্যায়ের কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন এখানে নমুনা হিসেবে আলোচনা করা হলো। যেমন, ‘অ্যাসিনক্রোনাস ট্রান্সমিশনে সময় বেশি লাগে কেন?’ এই প্রশ্নের উত্তরে বলা যায়, যে পদ্ধতিতে ডেটা ক্যারেক্টার বাই ক্যারেক্টার ট্রান্সমিট হয় তাকে অ্যাসিনক্রোনাস বলে। এক্ষেত্রে প্রতিটি ক্যারেক্টারের সঙ্গে অতিরিক্ত স্টার্ট ও স্টপ বিট যুক্ত হওয়ার কারণে এবং ডেটা চলাচলের বিরতি সমান না হওয়ায় সময় তুলনামূলক বেশি লাগে।

আবার শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের সময় যে ডেটা ট্রান্সমিশন মোড ব্যবহৃত হয়, তাকে হাফ ডুপ্লেক্স বলা হয়। কারণ শিক্ষক যখন কথা বলেন তখন শিক্ষার্থীরা শোনে, আবার শিক্ষার্থীরা যখন প্রশ্ন করে তখন শিক্ষক শোনেন। অর্থাৎ তথ্য উভয় দিকে প্রবাহিত হলেও তা একই সময়ে ঘটে না। অন্যদিকে, টেলিফোন বা মোবাইলের মতো ডিভাইসে ফুল ডুপ্লেক্স মোড কাজ করে, যেখানে একই সময়ে উভয় পক্ষ থেকে তথ্য আদান-প্রদান করা সম্ভব হয়।

পরীক্ষার্থীদের জন্য পরামর্শ হলো, অনুধাবনমূলক উত্তর খুব বেশি বড় না করে ৪ থেকে ৬ লাইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখা। এতে সময়ের সাশ্রয় হবে এবং উত্তরের মানও বজায় থাকবে। নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আইসিটির এই কারিগরি বিষয়গুলো সহজে আয়ত্ত করা সম্ভব।