দেশের অভিজ্ঞ ব্যাংকার মো. শাহীন হাওলাদার এনআরবিসি ব্যাংক পিএলসি.-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (ডিএমডি) ও চিফ বিজনেস অফিসার (সিবিও) হিসেবে যোগদান করেছেন। ব্যাংকিং খাতে প্রায় তিন দশকের সমৃদ্ধ অভিজ্ঞতা নিয়ে তিনি এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ করলেন।
এনআরবিসি ব্যাংকে যোগদানের আগে শাহীন হাওলাদার এনআরবি ব্যাংক পিএলসি.-এর ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর (বিজনেস) হিসেবে সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি ব্যবসায়িক সম্প্রসারণ, কৌশলগত পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং কার্যকর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন।
১৯৯৫ সালের অক্টোবরে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেডে প্রবেশনারি অফিসার হিসেবে তার ব্যাংকিং ক্যারিয়ার শুরু হয়। এরপর তিনি ন্যাশনাল ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক পিএলসি., মধুমতি ব্যাংক পিএলসি. এবং এনআরবি ব্যাংক পিএলসি.-তে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। এসব প্রতিষ্ঠানে কাজ করার সময় তিনি ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধি, কৌশলগত উন্নয়ন এবং কার্যকরী উৎকর্ষ সাধনে তার দক্ষতার পরিচয় দেন।
শাহীন হাওলাদারের রয়েছে কর্পোরেট ও ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং, এসএমই ব্যাংকিং, রিটেইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং, কৃষি ও গ্রামীণ ব্যাংকিং, অল্টারনেটিভ ডেলিভারি চ্যানেল (এডিসি) ও কার্ডস, ট্রানজেকশন ব্যাংকিং, বৈদেশিক রেমিট্যান্স, বিশেষ সম্পদ ব্যবস্থাপনা, বৈদেশিক বাণিজ্য, অফশোর ব্যাংকিং এবং শাখা ব্যাংকিংয়ে ব্যাপক অভিজ্ঞতা। এছাড়া তিনি চিফ ডিস্ট্রিবিউশন অফিসার, চিফ বিজনেস অফিসার, হেড অব বিজনেস এবং হেড অব ব্রাঞ্চেস-সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বের পদে সফলতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।
পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে তিনি ক্রেডিট রিস্ক ম্যানেজমেন্ট (সিআরএম), প্রজেক্ট ফাইন্যান্স, কাস্টমার রিলেশনশিপ ম্যানেজমেন্ট, এসএমই ফাইন্যান্সিং-সহ বিভিন্ন বিষয়ে দেশি-বিদেশি প্রশিক্ষণ, সেমিনার ও কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন।
ব্যাংকিং অঙ্গনে পেশাদারিত্ব, ব্যবসায়িক দূরদর্শিতা এবং টেকসই প্রবৃদ্ধি ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তির প্রতি অঙ্গীকারের জন্য শাহীন হাওলাদার সুপরিচিত। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডেমোগ্রাফিতে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যাংকিং ও ইন্স্যুরেন্স বিষয়ে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন। এনআরবিসি ব্যাংক কর্তৃপক্ষ আশা প্রকাশ করেছে, তার অভিজ্ঞ নেতৃত্ব ও কৌশলগত দিকনির্দেশনায় ব্যাংকের ব্যবসায়িক কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত হবে এবং গ্রাহকসেবার মান নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে।
রিপোর্টারের নাম 

























