ঢাকা ০১:৫৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুটি সেতুর অভাবে চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের দুর্বিষহ জীবন

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের জীবন-মান এখনো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। দীর্ঘ ৫৪ বছরেও দুটি সেতুর অভাবে চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের উপজেলা ও জেলা শহরে যাতায়াতের জন্য এখনো পায়ে হেঁটে বা গরু-ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয় এবং বর্ষা বা বন্যায় সেই পথও বন্ধ হয়ে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অভাবের কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিপণ্য বিপণনে তারা পিছিয়ে রয়েছেন।

পদ্মা নদীবেষ্টিত এই দুর্গম চরাঞ্চলে দুটি সেতু, namely ভাগজোত ও সুকার ঘাটে, নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়নি। এর ফলে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা এখনো মান্ধাতা আমলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে পুরো এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করে।

দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত ঘাটে ৩৫০ মিটার এবং চিলমারী ইউনিয়নের সুকারঘাটে ৯৬ মিটার দীর্ঘ দুটি সেতু নির্মাণের জন্য সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুল্লাহ বাচ্চু জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং বাজেট অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাও বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কারবালার মর্মন্তুদ ঘটনা: সত্য ও মিথ্যার এক অসম লড়াইয়ের ইতিহাস

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে দুটি সেতুর অভাবে চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের দুর্বিষহ জীবন

আপডেট সময় : ১২:৩৩:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার দুর্গম চরাঞ্চলের লক্ষাধিক মানুষের জীবন-মান এখনো অপরিবর্তিত রয়ে গেছে। দীর্ঘ ৫৪ বছরেও দুটি সেতুর অভাবে চিলমারী ও রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের বাসিন্দাদের উপজেলা ও জেলা শহরে যাতায়াতের জন্য এখনো পায়ে হেঁটে বা গরু-ঘোড়ার গাড়ি ব্যবহার করতে হয়। শুষ্ক মৌসুমে দীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে স্কুলে যেতে হয় এবং বর্ষা বা বন্যায় সেই পথও বন্ধ হয়ে যায়। যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নের অভাবের কারণে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কৃষিপণ্য বিপণনে তারা পিছিয়ে রয়েছেন।

পদ্মা নদীবেষ্টিত এই দুর্গম চরাঞ্চলে দুটি সেতু, namely ভাগজোত ও সুকার ঘাটে, নির্মাণের দীর্ঘদিনের দাবি পূরণ হয়নি। এর ফলে এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা এখনো মান্ধাতা আমলের যোগাযোগ ব্যবস্থার উপর নির্ভরশীল। বর্ষা মৌসুমে রাস্তাঘাট পানিতে তলিয়ে পুরো এলাকা কার্যত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে, যা জনজীবনে চরম ভোগান্তি সৃষ্টি করে।

দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী অফিস সূত্রে জানা গেছে, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের ভাগজোত ঘাটে ৩৫০ মিটার এবং চিলমারী ইউনিয়নের সুকারঘাটে ৯৬ মিটার দীর্ঘ দুটি সেতু নির্মাণের জন্য সম্প্রতি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে বরাদ্দ চেয়ে আবেদন পাঠানো হয়েছে। দৌলতপুর উপজেলা প্রকৌশলী আসাদুল্লাহ বাচ্চু জানিয়েছেন, সেতু নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঊর্ধ্বতন দপ্তরে পাঠানো হয়েছে এবং বাজেট অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা সম্ভব হবে। কুষ্টিয়া-১ (দৌলতপুর) আসনের সংসদ সদস্য রেজা আহমেদ বাচ্চু মোল্লাও বিষয়টি সংসদে উত্থাপন করেছেন এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর কাছে ডিও লেটার দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন।