ঢাকা ১০:২৭ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

ভিআইপিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের যাপিত জীবনের নেপথ্য গল্প

রাজধানীর মিন্টো রোডের ভিআইপি এলাকায় কড়া নিরাপত্তা। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুরক্ষায় দিনরাত অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকেন পুলিশ সদস্যরা। বাইরে থেকে তাদের জীবন চাকচিক্যময় মনে হলেও এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অনেক কষ্ট ও বঞ্চনার গল্প। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছায়ার মতো অনুসরণ করলেও এসব পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত দুঃখ-দুর্দশার খবর রাখার কেউ নেই। দীর্ঘ সময় রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

বর্তমানে ঢাকায় প্রায় ১ হাজার ৬৯১ জন পুলিশ সদস্য ভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চলাচলের সুরক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার এবং সরকারের বিশেষ মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তিরা। প্রতিটি ভিআইপি বাসভবনে রোস্টার অনুযায়ী চারজন এবং গাড়িবহরে পাঁচজন করে সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিশেষ গোয়েন্দা শাখা (এসবি) থেকে গানম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। চব্বিশ ঘণ্টা সতর্ক থাকতে হয় বলে এসব সদস্যের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রটোকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনসহ অন্তত ৩৮টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পালাক্রমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। বিদেশি কূটনীতিকদের সুরক্ষায় কাজ করে চ্যান্সারি পুলিশ। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও সাধারণ কনস্টেবলদের জীবন কাটে উদাস দৃষ্টিতে আকাশের দিকে চেয়ে কিংবা ছোটখাটো তদবিরের আশায়। ভিআইপিদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে আগলে রাখলেও এই বাহিনীর সদস্যদের আবাসন ও সুযোগ-সুবিধার সংকট এখনো কাটেনি।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

তিয়েনআনমেন স্কয়ারে চীনা বীরদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা নিবেদন

ভিআইপিদের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের যাপিত জীবনের নেপথ্য গল্প

আপডেট সময় : ০৯:১১:৩১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

রাজধানীর মিন্টো রোডের ভিআইপি এলাকায় কড়া নিরাপত্তা। প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সুরক্ষায় দিনরাত অতন্দ্র প্রহরীর মতো দাঁড়িয়ে থাকেন পুলিশ সদস্যরা। বাইরে থেকে তাদের জীবন চাকচিক্যময় মনে হলেও এর আড়ালে লুকিয়ে আছে অনেক কষ্ট ও বঞ্চনার গল্প। মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের ছায়ার মতো অনুসরণ করলেও এসব পুলিশ সদস্যের ব্যক্তিগত দুঃখ-দুর্দশার খবর রাখার কেউ নেই। দীর্ঘ সময় রোদে পুড়ে বা বৃষ্টিতে ভিজে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে অনেকেই শারীরিক ও মানসিকভাবে ক্লান্ত হয়ে পড়ছেন।

বর্তমানে ঢাকায় প্রায় ১ হাজার ৬৯১ জন পুলিশ সদস্য ভিআইপিদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও চলাচলের সুরক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন। এর মধ্যে রয়েছেন মন্ত্রী, বিচারপতি, নির্বাচন কমিশনার এবং সরকারের বিশেষ মর্যাদা পাওয়া ব্যক্তিরা। প্রতিটি ভিআইপি বাসভবনে রোস্টার অনুযায়ী চারজন এবং গাড়িবহরে পাঁচজন করে সদস্য সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়া বিশেষ গোয়েন্দা শাখা (এসবি) থেকে গানম্যান নিয়োগ দেওয়া হয়। চব্বিশ ঘণ্টা সতর্ক থাকতে হয় বলে এসব সদস্যের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন প্রায় স্থবির হয়ে পড়ে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের প্রটোকল বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনসহ অন্তত ৩৮টি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় পালাক্রমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হয়। বিদেশি কূটনীতিকদের সুরক্ষায় কাজ করে চ্যান্সারি পুলিশ। ক্ষমতার খুব কাছাকাছি থেকেও সাধারণ কনস্টেবলদের জীবন কাটে উদাস দৃষ্টিতে আকাশের দিকে চেয়ে কিংবা ছোটখাটো তদবিরের আশায়। ভিআইপিদের কঠোর নিরাপত্তাবেষ্টনীতে আগলে রাখলেও এই বাহিনীর সদস্যদের আবাসন ও সুযোগ-সুবিধার সংকট এখনো কাটেনি।