‘আই’ গ্রুপ থেকে নকআউট পর্বের টিকিট নিশ্চিত হয়েছে দুই দল ফ্রান্স ও নরওয়ের। তাই আজ গ্রুপ পর্বে নিজেদের শেষ ম্যাচটি শুধুই আনুষ্ঠানিকতার হলেও, শেষ ষোলোয় ওঠার আগে জয়ের ছন্দে থাকতে চাইবে দুদলই। এই ম্যাচ জিততে পারলে গ্রুপসেরা হওয়ার সুযোগও থাকছে। তাই মাঠে কেউ কাউকে ছাড় দেবে না; বরং উত্তাপ-উত্তেজনায় ঠাসা একটি রোমাঞ্চকর ম্যাচই দেখা যেতে পারে। আজ বাংলাদেশ সময় রাত ১টায় বোস্টন স্টেডিয়ামে ফরাসি সৌরভ ছড়াবে, নাকি ভাইকিংস গর্জন উঠবে—সেটিই দেখার অপেক্ষা।
২৮ বছর পর বিশ্বকাপে খেলছে ‘দ্য ভাইকিংস’খ্যাত নরওয়ে। ইরাককে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করে আর্লিং হ্যালান্ড যুগের সোনালি প্রজন্মের দলটি। এরপর সেনেগালের বিপক্ষে ৩-২ গোলে জিতে এক ম্যাচ বাকি থাকতেই নকআউট পর্বে খেলা নিশ্চিত করে নরওয়েজিয়ানরা। দুই ম্যাচে দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে দলকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলা হ্যালান্ড। এরই মধ্যে চার গোল করে মেসি-রোনালদোর সঙ্গে বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ স্কোরারের তালিকায় নাম তুলেছেন এই তারকা ফুটবলার। প্রথম বিশ্বকাপ খেলতে নেমেই দুরন্ত হ্যালান্ড বার্তা দিলেন—বড় মঞ্চের নায়ক তিনিও। ফ্রান্স ম্যাচেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে চাইবেন হ্যালান্ড। তার নেতৃত্বে অ্যাটাকিং ফুটবল খেলছে নরওয়ে। এ দলটিকে কীভাবে আটকাবেন কোচ দিদিয়ের দেশম, সেটি দেখার অপেক্ষায় ফুটবল দুনিয়া।
অন্যদিকে তারকাখচিত দল ফ্রান্স। এ দলটির প্রাণ কিলিয়ান এমবাপ্পে। এই দুরন্ত গতির ফুটবলার এরই মধ্যে বিশ্বকাপে অপ্রতিরোধ্যভাবে ছুটে চলেছেন। তার জোড়া গোলের সুবাদেই সেনেগালকে ৩-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে ফ্রান্স। এরপর ইরাকের বিপক্ষে ৩-০ গোলে জয়ের ম্যাচেও জোড়া গোল করেন এমবাপ্পে। ফর্মের তুঙ্গে থাকা এমবাপ্পেকে থামানো সহজ হবে না।
অন্যদিকে ফ্রান্সের জন্য নরওয়ে ম্যাচটি বাড়তি গুরুত্ব পাচ্ছে। কেননা, কদিন আগে মা হারিয়েছেন ফ্রান্স কোচ দেশম। বিশেষ করে এই কোচের জন্য ম্যাচটি জিততে চাইবে ফরাসিরা। এ পর্যন্ত ফ্রান্স ও নরওয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলে মোট ১৬ ম্যাচে পরস্পরের মুখোমুখি হয়েছে। এর মধ্যে ফ্রান্সের জয় সাত ও নরওয়ের পাঁচটি। বাকি চার ম্যাচ ড্র হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 






















