ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

শিক্ষা ছুটিতে বিদেশ গিয়ে লাপাত্তা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯ শিক্ষক

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ৩৪ বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি সুবিধা ও বেতনসহ শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পর ৩৯ জন শিক্ষক আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে কেউ কেউ ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন, আবার বড় একটি অংশ কোনো তথ্য ছাড়াই বিদেশে অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারলেও এরপর যোগদান করা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় চাকরি চ্যুতির বিধান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পলাতক এসব শিক্ষকের কাছে অডিট আপত্তি অনুযায়ী পাওনা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। পাওনা টাকা উদ্ধার ও শিক্ষকদের ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ১৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, মেধাবীদের এভাবে বিদেশে থেকে যাওয়া একদিকে রাষ্ট্রের জন্য মেধার অপচয় এবং অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও গুম হওয়াদের স্বজনদের এমপির কার্যালয়ে চাকরির প্রস্তাব

শিক্ষা ছুটিতে বিদেশ গিয়ে লাপাত্তা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৯ শিক্ষক

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) ৩৪ বছরের ইতিহাসে এক নজিরবিহীন ঘটনা ঘটেছে। উচ্চশিক্ষার জন্য সরকারি সুবিধা ও বেতনসহ শিক্ষা ছুটি নিয়ে বিদেশে যাওয়ার পর ৩৯ জন শিক্ষক আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, এদের মধ্যে কেউ কেউ ছুটির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করেছেন, আবার বড় একটি অংশ কোনো তথ্য ছাড়াই বিদেশে অবস্থান করছেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান বিধিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক সর্বোচ্চ সাত বছর পর্যন্ত ছুটি ভোগ করতে পারলেও এরপর যোগদান করা বাধ্যতামূলক, অন্যথায় চাকরি চ্যুতির বিধান রয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, পলাতক এসব শিক্ষকের কাছে অডিট আপত্তি অনুযায়ী পাওনা অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫ কোটি ৬৭ লাখ টাকা। পাওনা টাকা উদ্ধার ও শিক্ষকদের ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে প্রশাসন। ইতোমধ্যে ১৪ জন শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং বাকিদের লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নীতিনির্ধারকরা মনে করছেন, মেধাবীদের এভাবে বিদেশে থেকে যাওয়া একদিকে রাষ্ট্রের জন্য মেধার অপচয় এবং অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ও শিক্ষা কার্যক্রমে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।