ঢাকা ১১:০৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

২০৩০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষকে পেনশন স্কিমে আনার লক্ষ্য সরকারের

সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পেনশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলায় অংশ নিয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অন্তত ৪ কোটি মানুষকে এই আর্থিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। মেলা উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত এই পেনশন স্কিম নাগরিকদের অবসর জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি টেকসই ব্যবস্থা।

পেনশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই তহবিলের অর্থ নিরাপদভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যৎ লভ্যাংশ নিশ্চিত করে। চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই মেলায় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের স্টল বসিয়ে নাগরিকদের সরাসরি নিবন্ধন ও তথ্য সেবা প্রদান করে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্য এই স্কিমে যুক্ত হলে দেশের সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও গুম হওয়াদের স্বজনদের এমপির কার্যালয়ে চাকরির প্রস্তাব

২০৩০ সালের মধ্যে ৪ কোটি মানুষকে পেনশন স্কিমে আনার লক্ষ্য সরকারের

আপডেট সময় : ০৯:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

সর্বজনীন পেনশন স্কিমকে সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চুয়াডাঙ্গায় দুই দিনব্যাপী বর্ণাঢ্য পেনশন মেলার আয়োজন করা হয়েছে। এই মেলায় অংশ নিয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ২০৩০ সালের মধ্যে দেশের অন্তত ৪ কোটি মানুষকে এই আর্থিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। মেলা উপলক্ষে আয়োজিত শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টিযুক্ত এই পেনশন স্কিম নাগরিকদের অবসর জীবনের সুরক্ষা নিশ্চিত করার একটি টেকসই ব্যবস্থা।

পেনশন কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই তহবিলের অর্থ নিরাপদভাবে বাংলাদেশ ব্যাংকের ট্রেজারি বন্ডে বিনিয়োগ করা হয়, যা অংশগ্রহণকারীদের ভবিষ্যৎ লভ্যাংশ নিশ্চিত করে। চুয়াডাঙ্গা জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে আয়োজিত এই মেলায় বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের স্টল বসিয়ে নাগরিকদের সরাসরি নিবন্ধন ও তথ্য সেবা প্রদান করে। সরকারি কর্মকর্তাদের মতে, প্রতিটি পরিবার থেকে অন্তত একজন সদস্য এই স্কিমে যুক্ত হলে দেশের সামগ্রিক সামাজিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী হবে।