ঢাকা ১১:০৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে পূর্ণমন্ত্রী করার আহ্বান ৩২ নাগরিকের

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট শূন্যতা পূরণে দেশের ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছেন। তারা অবিলম্বে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের সময় একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে পূর্ণমন্ত্রী করায় পাহাড়ের মানুষের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু তার আকস্মিক পদত্যাগে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। কোনো বিশেষ মহলের চাপের কারণে এমনটি হয়েছে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, এই শূন্যতা দীর্ঘায়িত হলে পাহাড়ের মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়তে পারে।

বিশিষ্ট নাগরিকরা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। বর্তমান সরকারের ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বা রংধনু রাষ্ট্র গড়ার পরিকল্পনাকে সফল করতে হলে পাহাড়ের মানুষের অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সব সম্প্রদায়ের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও গুম হওয়াদের স্বজনদের এমপির কার্যালয়ে চাকরির প্রস্তাব

পার্বত্য মন্ত্রণালয়ে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে পূর্ণমন্ত্রী করার আহ্বান ৩২ নাগরিকের

আপডেট সময় : ০৯:৩৩:৫৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীর পদত্যাগের প্রেক্ষাপটে সৃষ্ট শূন্যতা পূরণে দেশের ৩২ জন বিশিষ্ট নাগরিক এক যৌথ বিবৃতি প্রদান করেছেন। তারা অবিলম্বে পার্বত্য অঞ্চলের আস্থাভাজন ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর কোনো যোগ্য ব্যক্তিকে পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এই বিবৃতিতে তারা এই দাবি জানান।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের সময় একজন ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর প্রতিনিধিকে পূর্ণমন্ত্রী করায় পাহাড়ের মানুষের মধ্যে আস্থার সৃষ্টি হয়েছিল। কিন্তু তার আকস্মিক পদত্যাগে জনমনে নানা প্রশ্ন ও সন্দেহের উদ্রেক হয়েছে। কোনো বিশেষ মহলের চাপের কারণে এমনটি হয়েছে কি না, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন তারা। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা মনে করেন, এই শূন্যতা দীর্ঘায়িত হলে পাহাড়ের মানুষের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়তে পারে।

বিশিষ্ট নাগরিকরা আরও বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার। বর্তমান সরকারের ঘোষিত ‘রেইনবো নেশন’ বা রংধনু রাষ্ট্র গড়ার পরিকল্পনাকে সফল করতে হলে পাহাড়ের মানুষের অধিকার ও প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা জরুরি। ১৯৯৭ সালের পার্বত্য চুক্তির ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং সব সম্প্রদায়ের সুষম উন্নয়ন নিশ্চিতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।