ঢাকা ০৮:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে চার নারীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মা ও তার তিন মেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেজো মেয়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই শোকাবহ ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটে। এদিকে, ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত ঘাতক যুবক অন্তর মজুমদারও নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), ইকরা আক্তার (১৭) ও শিফা আক্তার (৯)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরের একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘ বছর ধরে বসবাস করে আসছিল পরিবারটি। বৃহস্পতিবার সকালে অতর্কিতভাবে অন্তর মজুমদার ওই পরিবারের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা ঘাতককে আটক করে গণপিটুনি দেয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে ঢাকা নেওয়ার পথে চতুর্থজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার ইটের আঘাতে অন্তত ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারে এখন শুধু একমাত্র ছেলে সিফাত জীবিত আছেন, যিনি ঘটনার সময় কর্মস্থলে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভেনেজুয়েলার ভূমিকম্পে জরুরি সহায়তা পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, ট্রাম্পের ঘোষণা

লক্ষ্মীপুরে চার নারীকে কুপিয়ে হত্যা, গণপিটুনিতে ঘাতক নিহত

আপডেট সময় : ০৭:১৪:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে এক নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মা ও তার তিন মেয়ে প্রাণ হারিয়েছেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মেজো মেয়ের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই শোকাবহ ঘটনার পরিসমাপ্তি ঘটে। এদিকে, ঘটনার পরপরই উত্তেজিত জনতার গণপিটুনিতে অভিযুক্ত ঘাতক যুবক অন্তর মজুমদারও নিহত হয়েছেন।

নিহতরা হলেন শাহিনুর বেগম (৩৮) এবং তার তিন মেয়ে সায়মা আক্তার (২১), ইকরা আক্তার (১৭) ও শিফা আক্তার (৯)। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রায়পুরের একটি ভাড়া বাসায় দীর্ঘ বছর ধরে বসবাস করে আসছিল পরিবারটি। বৃহস্পতিবার সকালে অতর্কিতভাবে অন্তর মজুমদার ওই পরিবারের ওপর হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাদের এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা ঘাতককে আটক করে গণপিটুনি দেয়।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তিনজনকে মৃত ঘোষণা করেন এবং পরে ঢাকা নেওয়ার পথে চতুর্থজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে গিয়ে উত্তেজিত জনতার ইটের আঘাতে অন্তত ৬-৭ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। নিহতদের পরিবারে এখন শুধু একমাত্র ছেলে সিফাত জীবিত আছেন, যিনি ঘটনার সময় কর্মস্থলে থাকায় প্রাণে বেঁচে যান।