বাংলাদেশে ক্যান্সার পরিস্থিতির এক ভয়াবহ চিত্র ফুটে উঠেছে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রীর বক্তব্যে। জাতীয় সংসদে দেওয়া তথ্যানুযায়ী, দেশে প্রতি বছর প্রায় ১ লাখ ৬৭ হাজার নতুন ক্যান্সার রোগী শনাক্ত হচ্ছেন এবং বছরে মারা যাচ্ছেন প্রায় ১ লাখ ১৬ হাজার ৫৯৮ জন। বর্তমানে দেশে তিন লাখের বেশি মানুষ এই মরণব্যাধির সঙ্গে লড়াই করছেন।
আন্তর্জাতিক ক্যান্সার গবেষণা সংস্থা (আইএআরসি)-এর গ্লোবোক্যান ২০২২ প্রতিবেদনের বরাত দিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশে নারীদের মধ্যে স্তন ও জরায়ুমুখ ক্যান্সার এবং পুরুষদের মধ্যে ফুসফুস ও মুখগহ্বরের ক্যান্সারের প্রকোপ সবচেয়ে বেশি। সঠিক পরিসংখ্যান ও তথ্যভাণ্ডার তৈরির লক্ষ্যে বর্তমানে পপুলেশন-বেইজড ও হসপিটাল-বেইজড ক্যান্সার রেজিস্ট্রি কার্যক্রম চলমান রয়েছে।
ক্যান্সার চিকিৎসার সংকট দূর করতে সরকারের পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, দেশের আটটি বিভাগীয় সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ শয্যার পূর্ণাঙ্গ ক্যান্সার চিকিৎসা ইউনিট স্থাপনের কাজ চলছে। এর মাধ্যমে বিভাগীয় পর্যায়ে রেডিওথেরাপি, কেমোথেরাপি এবং সার্জিক্যাল অনকোলজি সেবা আরও সহজলভ্য হবে। এছাড়া দেশের প্রান্তিক পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে আরও ৫৪০টি নতুন কমিউনিটি ক্লিনিক নির্মাণের পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 





















