ঢাকা ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপে সমঝোতার সূত্রপাত: ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির রোডম্যাপ

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী কারিগরি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে, যারা সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো তদারকি করবে। এই কমিটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর ফলে পরমাণু ইস্যু এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের পথ প্রশস্ত হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল এবং যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে একটি সরাসরি যোগাযোগ লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ বা সংঘাত এড়ানোর সেল গঠন করা হচ্ছে। ইরানের প্রতিনিধি বাঘাই জানিয়েছেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স এবং অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তির বিষয়েও আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

রেকর্ড ১৫ সেভ: ‘কুরাসাও মহাপ্রাচীর’ এলয় রুমের বিশ্বরেকর্ড

যুক্তরাষ্ট্র-ইরান সংলাপে সমঝোতার সূত্রপাত: ৬০ দিনের মধ্যে চূড়ান্ত চুক্তির রোডম্যাপ

আপডেট সময় : ০৯:০৩:১৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

সুইজারল্যান্ডের বুর্গেনস্টক রিসোর্টে অনুষ্ঠিত যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার উচ্চপর্যায়ের আলোচনা অত্যন্ত ইতিবাচক ও গঠনমূলক পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে। মধ্যস্থতাকারী দেশ পাকিস্তান ও কাতারের পক্ষ থেকে এক যৌথ বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, দুই দেশের মধ্যকার দীর্ঘদিনের অচলাবস্থা নিরসনে বড় ধরনের অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। এই আলোচনার মাধ্যমে পরবর্তী কারিগরি ও রাজনৈতিক পদক্ষেপের জন্য একটি সুনির্দিষ্ট কার্যপদ্ধতি তৈরি করা হয়েছে।

বিবৃতি অনুযায়ী, একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠনের বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হয়েছে, যারা সমঝোতা স্মারকের কার্যকর বাস্তবায়ন ও রাজনৈতিক বিষয়গুলো তদারকি করবে। এই কমিটি আগামী ৬০ দিনের মধ্যে একটি চূড়ান্ত চুক্তিতে পৌঁছানোর লক্ষ্য নিয়ে একটি বিস্তারিত রোডম্যাপ বা কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করেছে। এর ফলে পরমাণু ইস্যু এবং অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের পথ প্রশস্ত হলো বলে মনে করা হচ্ছে।

এছাড়া আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হরমুজ প্রণালিতে বাণিজ্যিক জাহাজের নিরাপদ চলাচল এবং যেকোনো ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে একটি সরাসরি যোগাযোগ লাইন স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি লেবাননে সামরিক অভিযান বন্ধ নিশ্চিত করতে একটি বিশেষ ‘ডি-কনফ্লিকশন সেল’ বা সংঘাত এড়ানোর সেল গঠন করা হচ্ছে। ইরানের প্রতিনিধি বাঘাই জানিয়েছেন, তেল বিক্রির লাইসেন্স এবং অবরুদ্ধ সম্পদ মুক্তির বিষয়েও আলোচনায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।