ঢাকা ০৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বাবা দিবসে গ্রী এসির আবেগঘন ওভিসি: আরামের গণ্ডি পেরিয়ে জীবনের নতুন পাঠ

বাবা দিবসের প্রাক্কালে বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা নিয়ে আবেগঘন একটি অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়াল (ওভিসি) প্রকাশ করেছে একটি শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড। এই ওভিসিতে বাবার চিরন্তন স্নেহ এবং সন্তানকে জীবনের প্রকৃত আরামের সংজ্ঞা শেখানোর দারুণ এক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

ওভিসির শুরুতে দেখা যায়, একটি আরামদায়ক ঘরের পরিবেশে একজন মধ্যবয়সী বাবা পাহাড়ে ট্রেকিংয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছাচ্ছেন। তার পাশে চরম উদ্বেগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কিশোরী মেয়ে। ঘরের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বড় হওয়া মেয়েটির মনে রাজ্যের দুশ্চিন্তা, ‘বাবা, আমরা যেখানে যাচ্ছি, সেখানে কি এসি আছে?’ বাবা যখন উত্তর দেন যে সেখানে বিদ্যুৎই নেই, তখন মেয়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়ে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসও নেই শুনে মেয়ে তো একদম হতভম্ব!

মা পাশ থেকে মেয়ের এই অবস্থা দেখে স্বভাবসুলভ রসিকতায় বলে ওঠেন, ‘হুঁ, ফার্মের মুরগি! ট্রেকিং করবে, ক্যাম্পিং করবে, আবার এসিও লাগবে!’ মায়ের এই চেনা সংলাপে যেমন এক চিলতে হাসি ফোটে, তেমনই প্রকাশ পায় আমাদের চেনা পারিবারিক আবহ।

মেয়ের একটাই ভয়, তাহলে কি সত্যি সত্যি তিন দিন এসি ছাড়া থাকতে হবে? ঠিক তখনই বাবা পরম মমতায় মেয়ের হাতে তুলে দেন একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের রিমোট। মেয়ে অবাক হয়ে জানতে চায়, যেখানে এসিই নেই, সেখানে রিমোট দিয়ে কী হবে? বাবা তখন রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেন, ‘আমরা যখন ট্রেকিং করে পাহাড়ের চূড়ায় উঠব, তখন সুইচটা অন করলেই দেখবি চারপাশে এসির বাতাস।’ বাবার এমন মজার ছলে দেওয়া আশ্বাসে মেয়ে আদুরে রাগে বলে ওঠে, ‘বাবা!’

গল্পের পরের দৃশ্যে দেখা যায়, সব চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাবা ও মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়ের চূড়ায়, চারপাশে খোলা আকাশ। মেয়েটি তখন বাবার দেওয়া সেই রিমোটটা বের করে মজা করেই সুইচ অন করে। আর ঠিক তখনই পাহাড়ের একরাশ ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ বাতাস এসে মেয়ের চুল উড়িয়ে দেয়। প্রকৃতির সেই অকৃত্রিম শীতলতায় মেয়ে হেসে তাকায় বাবার দিকে, আর বাবার চোখে ফুটে ওঠে সন্তানকে এক নতুন পৃথিবীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার তৃপ্তি। সে বুঝতে পারে, বাবারা শুধু চার দেয়ালের ভেতরের আরামটুকুই নিশ্চিত করেন না, বরং জীবনের কঠিন পথগুলোতেও সন্তান যেন সহজে মানিয়ে নিতে পারে, তার সেই ভবিষ্যৎ আরামের ভিতটাও গড়ে দেন। এখানে আরাম মানে শুধু ঘরের ঠান্ডা বাতাস নয়, বরং জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়া।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নিরাপদ সবজি উৎপাদনে জৈব বালাইনাশক: বাকৃবিতে দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা শুরু

বাবা দিবসে গ্রী এসির আবেগঘন ওভিসি: আরামের গণ্ডি পেরিয়ে জীবনের নতুন পাঠ

আপডেট সময় : ০৭:২৫:৩৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬

বাবা দিবসের প্রাক্কালে বাবা ও সন্তানের সম্পর্কের এক নতুন মাত্রা নিয়ে আবেগঘন একটি অনলাইন ভিডিও কমার্শিয়াল (ওভিসি) প্রকাশ করেছে একটি শীর্ষস্থানীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড। এই ওভিসিতে বাবার চিরন্তন স্নেহ এবং সন্তানকে জীবনের প্রকৃত আরামের সংজ্ঞা শেখানোর দারুণ এক গল্প তুলে ধরা হয়েছে।

ওভিসির শুরুতে দেখা যায়, একটি আরামদায়ক ঘরের পরিবেশে একজন মধ্যবয়সী বাবা পাহাড়ে ট্রেকিংয়ে যাওয়ার জন্য ব্যাগ গোছাচ্ছেন। তার পাশে চরম উদ্বেগ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে কিশোরী মেয়ে। ঘরের শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে বড় হওয়া মেয়েটির মনে রাজ্যের দুশ্চিন্তা, ‘বাবা, আমরা যেখানে যাচ্ছি, সেখানে কি এসি আছে?’ বাবা যখন উত্তর দেন যে সেখানে বিদ্যুৎই নেই, তখন মেয়ের কপালে চিন্তার ভাঁজ আরও বাড়ে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত বাসও নেই শুনে মেয়ে তো একদম হতভম্ব!

মা পাশ থেকে মেয়ের এই অবস্থা দেখে স্বভাবসুলভ রসিকতায় বলে ওঠেন, ‘হুঁ, ফার্মের মুরগি! ট্রেকিং করবে, ক্যাম্পিং করবে, আবার এসিও লাগবে!’ মায়ের এই চেনা সংলাপে যেমন এক চিলতে হাসি ফোটে, তেমনই প্রকাশ পায় আমাদের চেনা পারিবারিক আবহ।

মেয়ের একটাই ভয়, তাহলে কি সত্যি সত্যি তিন দিন এসি ছাড়া থাকতে হবে? ঠিক তখনই বাবা পরম মমতায় মেয়ের হাতে তুলে দেন একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের রিমোট। মেয়ে অবাক হয়ে জানতে চায়, যেখানে এসিই নেই, সেখানে রিমোট দিয়ে কী হবে? বাবা তখন রহস্যময় হাসি দিয়ে বলেন, ‘আমরা যখন ট্রেকিং করে পাহাড়ের চূড়ায় উঠব, তখন সুইচটা অন করলেই দেখবি চারপাশে এসির বাতাস।’ বাবার এমন মজার ছলে দেওয়া আশ্বাসে মেয়ে আদুরে রাগে বলে ওঠে, ‘বাবা!’

গল্পের পরের দৃশ্যে দেখা যায়, সব চড়াই-উতরাই পেরিয়ে বাবা ও মেয়ে দাঁড়িয়ে আছে পাহাড়ের চূড়ায়, চারপাশে খোলা আকাশ। মেয়েটি তখন বাবার দেওয়া সেই রিমোটটা বের করে মজা করেই সুইচ অন করে। আর ঠিক তখনই পাহাড়ের একরাশ ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ বাতাস এসে মেয়ের চুল উড়িয়ে দেয়। প্রকৃতির সেই অকৃত্রিম শীতলতায় মেয়ে হেসে তাকায় বাবার দিকে, আর বাবার চোখে ফুটে ওঠে সন্তানকে এক নতুন পৃথিবীর সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার তৃপ্তি। সে বুঝতে পারে, বাবারা শুধু চার দেয়ালের ভেতরের আরামটুকুই নিশ্চিত করেন না, বরং জীবনের কঠিন পথগুলোতেও সন্তান যেন সহজে মানিয়ে নিতে পারে, তার সেই ভবিষ্যৎ আরামের ভিতটাও গড়ে দেন। এখানে আরাম মানে শুধু ঘরের ঠান্ডা বাতাস নয়, বরং জীবনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে প্রকৃতির মাঝে শান্তি খুঁজে পাওয়া।