রংপুর বিভাগের ছয়টি জেলায় সাধারণ মানুষের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম আদালত। স্বল্প সময়ে ও নামমাত্র খরচে ন্যায়বিচার পাওয়ার সুযোগ থাকায় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বড় একটি অংশ এখন এই আদালতের ওপর আস্থা রাখছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে এই অঞ্চলের গ্রাম আদালতগুলোতে ১৩ হাজার ১০১টি মামলা দায়ের হয়েছে, যার মধ্যে প্রায় ৮৮ শতাংশ অর্থাৎ ১১ হাজার ৫০৬টি মামলার সফল নিষ্পত্তি হয়েছে।
তবে বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনায় কিছু সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ইউপি চেয়ারম্যানদের মতে, পর্যাপ্ত তদারকি, প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং সুনির্দিষ্ট এজলাস কক্ষের অভাবে অনেক সময় বিচারকাজ ব্যাহত হচ্ছে। তারা মনে করেন, বিচারকদের জন্য সরকারিভাবে বিশেষ অনুদান ও উন্নত প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা গেলে গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা আরও বাড়বে এবং বিচারপ্রার্থীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে।
উল্লেখ্য যে, গ্রাম আদালতে মাত্র ১০ টাকার বিনিময়ে চুরি, দাঙ্গা, প্রতারণা ও পারিবারিক কলহের মতো ফৌজদারি অভিযোগ এবং ২০ টাকার বিনিময়ে জমিজমা বা পাওনা টাকা আদায়ের মতো দেওয়ানি মামলা করার সুযোগ রয়েছে। গত পাঁচ মাসে দায়ের হওয়া মামলার পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, পুরুষদের পাশাপাশি নারীরাও উল্লেখযোগ্য হারে এই আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছেন। বিভাগীয় পর্যায়ে নীলফামারী জেলায় সর্বোচ্চ ৩ হাজার ৫২৬টি মামলা দায়ের হয়েছে।
রিপোর্টারের নাম 

























